ভিডিও
স্টোরি
ফটো স্টোরি
নিউজ ডেস্ক: ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান তীব্র উত্তেজনা ও সামরিক সংঘাত নিরসনে একটি সুনির্দিষ্ট ও আশাব্যঞ্জক শান্তি পরিকল্পনা প্রস্তাব করা হয়েছে।
দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর আজ সোমবার (৬ এপ্রিল ২০২৬) থেকেই উভয় পক্ষ একটি আনুষ্ঠানিক যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হতে পারে বলে আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে।
এই শান্তি পরিকল্পনার নেপথ্যে প্রধান কারিগর হিসেবে কাজ করছে বন্ধুপ্রতিম দেশ পাকিস্তান। গত রাতে তেহরান ও ওয়াশিংটনের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে এই চুক্তির রূপরেখা হস্তান্তর করা হয়েছে।
মধ্যস্থতাকারী: পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির এই সংকট সমাধানে মূল ভূমিকা পালন করছেন। তিনি মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স, বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির সাথে নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগ বজায় রেখে এই ঐকমত্য তৈরিতে কাজ করেছেন।
প্রস্তাবিত এই পরিকল্পনাটি মূলত দুটি প্রধান ধাপে বিভক্ত: ১. প্রথম ধাপ: একটি তাৎক্ষণিক এবং স্বল্পমেয়াদী যুদ্ধবিরতি (সম্ভাব্য ৪৫ দিন), যা আজকের মধ্যেই একটি 'ইলেকট্রনিক মেমোরেন্ডাম অফ আন্ডারস্ট্যান্ডিং' (MoU) স্বাক্ষরের মাধ্যমে কার্যকর হতে পারে। ২. দ্বিতীয় ধাপ: যুদ্ধবিরতি চলাকালীন একটি দীর্ঘমেয়াদী এবং পূর্ণাঙ্গ শান্তি চুক্তির লক্ষ্যে বিস্তারিত আলোচনা।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস (Axios)-এর তথ্যমতে, এই ৪৫ দিনের যুদ্ধবিরতি সময়কালকে উভয় পক্ষ যুদ্ধের স্থায়ী সমাপ্তি ঘটানোর একটি সুযোগ হিসেবে দেখছে। পাকিস্তানের পাশাপাশি মিশর ও তুরস্কও এই প্রক্রিয়ায় পরোক্ষ সহযোগিতা প্রদান করছে।
যদি আজই এই সমঝোতা বাস্তবায়িত হয়, তবে তা কেবল মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতাই কমাবে না, বরং বিশ্ববাজারে তেলের দাম স্থিতিশীল করাসহ বৈশ্বিক অর্থনীতিতে বড় ধরনের স্বস্তি নিয়ে আসবে বলে আশা করছেন বিশ্লেষকরা। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার বিষয়টি এই চুক্তির অন্যতম প্রধান শর্ত হতে পারে।
এ.আই.এল/সকালবেলা
| আজকের তারিখঃ বঙ্গাব্দ