প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের দাবি জমিয়তের

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের দাবি জমিয়তের

নিজস্ব প্রতিবেদক: সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সংগীত শিক্ষক নিয়োগের পরিবর্তে ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের জোর দাবি জানিয়েছে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ। সংগঠনটি মনে করে, দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের ধর্মীয় মূল্যবোধ রক্ষা ও নৈতিক শিক্ষার প্রসারে প্রাথমিক স্তরে ধর্মীয় শিক্ষার গুরুত্ব অপরিসীম।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল ২০২৬) গণমাধ্যমে পাঠানো এক যৌথ বিবৃতিতে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের সভাপতি শাইখুল হাদিস মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক ও মহাসচিব মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী এই দাবি জানান।

বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, বর্তমান সরকার নির্বাচনের আগে ধর্মীয় শিক্ষা জোরদার করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। কিন্তু বাস্তবে সংগীত শিক্ষক নিয়োগের উদ্যোগ সেই প্রতিশ্রুতির সাথে সরাসরি সাংঘর্ষিক। তারা উল্লেখ করেন, শিশুদের নৈতিকতা, মানবিকতা ও ধর্মীয় মূল্যবোধে বলীয়ান করে গড়ে তোলাই হওয়া উচিত প্রাথমিক শিক্ষার মূল লক্ষ্য।

জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, বর্তমান প্রেক্ষাপটে ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া সময়ের দাবি এবং এটি জনগণের প্রত্যাশার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। তারা সরকারকে সংগীত শিক্ষক নিয়োগের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করে নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী দ্রুত ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।

বিবৃতিটি প্রচার করেছেন সংগঠনের প্রচার সম্পাদক মুফতি ইমরানুল বারী সিরাজী। প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে নৈতিক শিক্ষাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার এই দাবি এখন বিভিন্ন মহলে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

এ.আই.এল/সকালবেলা

মন্তব্য করুন