অনলাইন ডেস্ক: বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমানের জাতীয় সংসদে দেওয়া সাম্প্রতিক এক বক্তব্যকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে আওয়ামী লীগ সমর্থক ও নেতাদের একটি অংশের নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন লেখক ও গবেষক ড. নাদিম মাহমুদ। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ বিষয়ে নিজের বিশ্লেষণ তুলে ধরেন।
আওয়ামী লীগের ক্ষোভের কারণ: নাদিম মাহমুদের মতে, আওয়ামী লীগের একদল সমর্থক ক্ষুব্ধ হওয়ার পেছনে মূলত তিনটি অভিযোগ তুলছেন: ১. সংসদে যখন ‘যুদ্ধাপরাধীদের বিষয়ে শোক’ প্রকাশ করা হয়েছিল, তখন ফজলুর রহমান কেন চুপ ছিলেন? ২. আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ হওয়ার ইস্যুতে তিনি কেন সংসদে জোরালো প্রতিবাদ করেননি? ৩. কেন তিনি বর্তমানে জাতীয় সংসদে ‘রাজাকারদের’ সাথে অবস্থান করছেন?
নাদিম মাহমুদের পাল্টা যুক্তি: আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে নাদিম মাহমুদ বলেন, গত ত্রিশ বছর ধরে যিনি দল থেকে দূরে এবং যাকে আওয়ামী লীগ মূল্যায়ন করতে পারেনি, সেই মানুষটিই এখন ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে ‘মুক্তিযুদ্ধবিরোধী ও রাজাকারপন্থীদের’ বিরুদ্ধে সবচেয়ে জোরালো হুংকার দিচ্ছেন। তিনি বলেন:
“বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে যিনি কখনো স্বাধীনতাবিরোধী দলের কাছে মাথানত করেননি, সেই মানুষটির বিষয়ে এসব কথা বলতে আপনাদের একটু লজ্জা হয় না?”
নেতৃত্বের ব্যর্থতা ও ফজলুর রহমানের সাহস: তরুণ এই গবেষক দাবি করেন, গত দেড় বছরে আওয়ামী লীগের কোনো মন্ত্রী, সাংসদ বা বুদ্ধিজীবী ফজলুর রহমানের মতো সাহস দেখাতে পারেননি। বিএনপি যেখানে জিয়াউর রহমানকে স্বাধীনতার ঘোষক হিসেবে তুলে ধরে, সেখানে ফজলুর রহমান সেই দলের রাজনীতি করেও বঙ্গবন্ধুকে স্বাধীনতার স্থপতি হিসেবে বয়ান দেওয়ার সাহস দেখিয়েছেন।
নাদিম মাহমুদ আরও উল্লেখ করেন, আওয়ামী লীগ প্রকৃত আদর্শিক নেতাদের (যেমন: ফজলুর রহমান, সুলতান মোহাম্মদ মনসুর, শাহজাহান সিরাজ) ধরে রাখতে না পেরে ‘হাইব্রিড’ ব্যবসায়ী ও পরিবারের কোটায় রাজনীতিতে আসা ব্যক্তিদের গুরুত্ব দেওয়ায় আজ দলটির এই পরিণতি হয়েছে।
উপসংহার: তিনি মনে করেন, বর্তমানে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে না থেকেও ফজলুর রহমান যেভাবে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ করছেন, তার জন্য দলটির কৃতজ্ঞ থাকা উচিত। অকৃতজ্ঞের মতো আচরণ করলে সাধারণ মানুষ আওয়ামী লীগের প্রতি আরও বিরক্ত হবে বলে তিনি সতর্ক করেন।
জান্নাত/সকালবেলাঅনলাইন ডেস্ক: বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমানের জাতীয় সংসদে দেওয়া সাম্প্রতিক এক বক্তব্যকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে আওয়ামী লীগ সমর্থক ও নেতাদের একটি অংশের নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন লেখক ও গবেষক ড. নাদিম মাহমুদ। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ বিষয়ে নিজের বিশ্লেষণ তুলে ধরেন।
আওয়ামী লীগের ক্ষোভের কারণ: নাদিম মাহমুদের মতে, আওয়ামী লীগের একদল সমর্থক ক্ষুব্ধ হওয়ার পেছনে মূলত তিনটি অভিযোগ তুলছেন: ১. সংসদে যখন ‘যুদ্ধাপরাধীদের বিষয়ে শোক’ প্রকাশ করা হয়েছিল, তখন ফজলুর রহমান কেন চুপ ছিলেন? ২. আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ হওয়ার ইস্যুতে তিনি কেন সংসদে জোরালো প্রতিবাদ করেননি? ৩. কেন তিনি বর্তমানে জাতীয় সংসদে ‘রাজাকারদের’ সাথে অবস্থান করছেন?
নাদিম মাহমুদের পাল্টা যুক্তি: আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে নাদিম মাহমুদ বলেন, গত ত্রিশ বছর ধরে যিনি দল থেকে দূরে এবং যাকে আওয়ামী লীগ মূল্যায়ন করতে পারেনি, সেই মানুষটিই এখন ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে ‘মুক্তিযুদ্ধবিরোধী ও রাজাকারপন্থীদের’ বিরুদ্ধে সবচেয়ে জোরালো হুংকার দিচ্ছেন। তিনি বলেন:
“বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে যিনি কখনো স্বাধীনতাবিরোধী দলের কাছে মাথানত করেননি, সেই মানুষটির বিষয়ে এসব কথা বলতে আপনাদের একটু লজ্জা হয় না?”
নেতৃত্বের ব্যর্থতা ও ফজলুর রহমানের সাহস: তরুণ এই গবেষক দাবি করেন, গত দেড় বছরে আওয়ামী লীগের কোনো মন্ত্রী, সাংসদ বা বুদ্ধিজীবী ফজলুর রহমানের মতো সাহস দেখাতে পারেননি। বিএনপি যেখানে জিয়াউর রহমানকে স্বাধীনতার ঘোষক হিসেবে তুলে ধরে, সেখানে ফজলুর রহমান সেই দলের রাজনীতি করেও বঙ্গবন্ধুকে স্বাধীনতার স্থপতি হিসেবে বয়ান দেওয়ার সাহস দেখিয়েছেন।
নাদিম মাহমুদ আরও উল্লেখ করেন, আওয়ামী লীগ প্রকৃত আদর্শিক নেতাদের (যেমন: ফজলুর রহমান, সুলতান মোহাম্মদ মনসুর, শাহজাহান সিরাজ) ধরে রাখতে না পেরে ‘হাইব্রিড’ ব্যবসায়ী ও পরিবারের কোটায় রাজনীতিতে আসা ব্যক্তিদের গুরুত্ব দেওয়ায় আজ দলটির এই পরিণতি হয়েছে।
উপসংহার: তিনি মনে করেন, বর্তমানে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে না থেকেও ফজলুর রহমান যেভাবে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ করছেন, তার জন্য দলটির কৃতজ্ঞ থাকা উচিত। অকৃতজ্ঞের মতো আচরণ করলে সাধারণ মানুষ আওয়ামী লীগের প্রতি আরও বিরক্ত হবে বলে তিনি সতর্ক করেন।
জান্নাত/সকালবেলা