ভিডিও
স্টোরি
ফটো স্টোরি
সারা দেশে শহর ও গ্রাম অঞ্চলে খেলার মাঠ নির্ধারণ ও বাস্তবায়ন সংক্রান্ত কেন্দ্রীয় কমিটির প্রথম সভা শনিবার (১৪ মার্চ) যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক।
সভায় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এবং গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর উপস্থিত ছিলেন।
সভাপতির বক্তব্যে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী খেলাধুলাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছেন এবং সে লক্ষ্যেই আমাদের মন্ত্রণালয় নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। খেলাধুলাকে একটি পেশা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। এছাড়া জাতীয় দলের সকল পর্যায়ের খেলোয়াড়দের একটি সুনির্দিষ্ট বেতন কাঠামোর আওতায় আনার কাজও চলমান রয়েছে।’
যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জানান, প্রান্তিক পর্যায়ের প্রতিভা অন্বেষণে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ কর্মসূচি আগামী ৩০ এপ্রিল উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি আরও বলেন, ‘মাদকমুক্ত সমাজ গঠন এবং তরুণ প্রজন্মকে ডিজিটাল ডিভাইসের আসক্তি থেকে দূরে রাখতে খেলার মাঠের কোনো বিকল্প নেই।’
দেশের প্রতিটি অঞ্চলে খেলার সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে সভায় গৃহীত প্রধান সিদ্ধান্তসমূহ:
প্রতিটি ইউনিয়নের মাঝামাঝি এলাকায় একটি করে স্থায়ী খেলার মাঠের জায়গা নির্ধারণ করা হবে।
প্রতিটি উপজেলায় একটি করে খেলার মাঠের জায়গা নির্ধারণ করা হবে।
ঢাকা মহানগরের প্রতি ২ থেকে ৩টি ওয়ার্ডের মাঝামাঝি ৩ থেকে ৪ বিঘা আয়তনের একটি করে খেলার মাঠ তৈরি করা হবে।
ঢাকা মহানগরের প্রতিটি ওয়ার্ডে একটি করে আধুনিক ‘ফুটসাল’ মাঠ তৈরি করা হবে।
সারা দেশের অব্যবহৃত বা পরিত্যক্ত জায়গাগুলো চিহ্নিত করে তা খেলার মাঠ হিসেবে ব্যবহারের উপযোগী করতে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। এসব মাঠ চিহ্নিত করার পর পরিদর্শনের জন্য একটি সচিব কমিটি গঠন করা হয়েছে।
সভায় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। দেশের ক্রীড়া অবকাঠামো উন্নয়নে গৃহীত এসব সিদ্ধান্ত দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য একটি সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আই.এ/সকালবেলা
| আজকের তারিখঃ বঙ্গাব্দ