পাকুন্দিয়ায় শ্রমিক দল ও জাসাসের কার্যালয় উদ্বোধন এবং আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

প্রকাশ: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:১৮ পূর্বাহ্ণ
পাকুন্দিয়ায় শ্রমিক দল ও জাসাসের কার্যালয় উদ্বোধন এবং আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ার হোসেন্দীতে শ্রমিক দল ও জাসাসের কার্যালয় উদ্বোধন

পাকুন্দিয়া প্রতিনিধি, কিশোরগঞ্জ: কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার হোসেন্দী ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয় সংলগ্ন এলাকায় হোসেন্দী ইউনিয়ন শ্রমিক দল ও জাসাসের যৌথ উদ্যোগে নতুন কার্যালয় উদ্বোধন ও এক সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

গতকাল শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬) সন্ধ্যায় আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পাকুন্দিয়া উপজেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি এবং পাকুন্দিয়া সরকারি ডিগ্রি কলেজ ছাত্রসংসদের সাবেক জিএস আহমদ ফারুক খোকন। অনুষ্ঠানটিতে সভাপতিত্ব করেন মো. এমদাদুল হক সোহেল।

সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন হোসেন্দী বাজার কমিটির সভাপতি মাইনুদ্দিন, হোসেন্দী ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মেনু মেম্বার, মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান শাহিন, উপজেলা জাসাসের সদস্য সচিব আনিসুজ্জামান বাচ্চু, হোসেন্দী ইউনিয়ন জাসাসের সভাপতি আল-আমিন, হোসেন্দী ইউনিয়ন কৃষক দলের সভাপতি মিজান এবং মৎস্যজীবী দলের সভাপতি নজরুল। এ ছাড়া অনুষ্ঠানে বিএনপি ও এর বিভিন্ন অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের স্থানীয় বিভিন্ন পর্যায়ের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনা সভায় হোসেন্দী ইউনিয়ন শ্রমিক দলের কার্যালয়ের বিভিন্ন সমস্যা ও সংকটের নানা দিক তুলে ধরা হয়। সংগঠনের পক্ষ থেকে এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রবীণ ও সিনিয়র নেতৃবৃন্দের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করা হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে আহমদ ফারুক খোকন বলেন, “হোসেন্দীতে শ্রমিক দলের সুন্দর একটি কার্যালয় রয়েছে, যেখানে আমি এবং অন্যান্য নেতাকর্মীরা নিয়মিত বসি। এই দলীয় কার্যালয়টি টিকিয়ে রাখার মূল দায়িত্ব আমাদের সবার। কারো একার ওপর নির্ভর না করে সবাই যদি সম্মিলিতভাবে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন, তবে সংগঠনের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও অনেক বেশি গতিশীল হবে।”

এ সময় কার্যালয়ের বকেয়া ভাড়া প্রসঙ্গে তিনি উদার ঘোষণা দিয়ে বলেন, “কার্যালয়ের ভাড়ার যে বকেয়া রয়েছে, তার অর্ধেক আমি আমার নিজ দায়িত্বে পরিশোধ করব। তবে বাকি অংশটুকু সবাই মিলে সমাধানের উদ্যোগ নিতে হবে।”

অনুষ্ঠানে বক্তারা দলীয় কার্যালয়কে স্থানীয় রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক কার্যক্রমের প্রধান কেন্দ্র হিসেবে আরও বেশি কার্যকর করা, নেতাকর্মীদের মাঝে পারস্পরিক সুদৃঢ় সমন্বয় বৃদ্ধি এবং তৃণমূলে সাংগঠনিক তৎপরতা জোরদার করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন। সভার শেষ পর্যায়ে প্রধান অতিথি উপস্থিত সকল নেতাকর্মীকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তাঁর বক্তব্য সমাপ্ত করেন।

মন্তব্য করুন