প্রতীক বরাদ্দ পেয়েই ইসিতে বিএনপি-জামায়াতের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ

প্রতীক বরাদ্দ পেয়েই ইসিতে বিএনপি-জামায়াতের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ

প্রতীক বরাদ্দ পেয়েই ইসিতে বিএনপি-জামায়াতের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের লক্ষ্যে আজ প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। তবে প্রতীক পাওয়ার পরপরই নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘন নিয়ে বিএনপি ও জামায়াত একে অপরের বিরুদ্ধে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ তুলেছে।

বুধবার (২১ জানুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচনি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (ইটিআই) ভবনে ঢাকা-১৩ ও ঢাকা-১৫ আসনের রিটার্নিং কর্মকর্তা এবং আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো. ইউনুচ আলীর তত্ত্বাবধানে এই প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়। প্রতীক বরাদ্দ শেষে ঢাকা-১৫ আসনের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা সাংবাদিকদের কাছে তাঁদের অভিযোগ তুলে ধরেন। এ আসনে বিএনপির শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন ‘ধানের শীষ’ এবং জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীক বরাদ্দ পেয়েছেন।

প্রতীক পাওয়ার পর বিএনপির প্রার্থী শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন অভিযোগ করেন, প্রতীক বরাদ্দের সময় একটি বিশেষ দল আচরণবিধি লঙ্ঘন করে ১০ জনের বেশি লোক নিয়ে উপস্থিত হয়েছে। তিনি আরও দাবি করেন, জামায়াতের নারীকর্মীরা ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে এনআইডি ও বিকাশ নম্বর সংগ্রহ করছে, যা ব্যক্তিগত তথ্যের গোপনীয়তা লঙ্ঘন। পীরেরবাগ ও শেওড়াপাড়ায় স্থানীয়রা এসব নিয়ে প্রশ্ন করলে জামায়াত কর্মীরা বিএনপির দুই কর্মীকে মারধর করেছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন।
 তিনি নির্বাচনি পরিবেশ সুষ্ঠু রাখতে সেনাবাহিনী ও পুলিশের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

অন্যদিকে, জামায়াত আমিরের পক্ষে প্রতীক সংগ্রহ করেন দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের। তিনি বিএনপির অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে বলেন, “প্রচারণা নিয়ে যেসব তথ্য দেওয়া হয়েছে তা সম্পূর্ণ অসত্য। আমরা ইসির নির্দেশের আগেই সব প্রচারণা সামগ্রী অপসারণ করেছি।” তিনি উল্টো অভিযোগ করেন, একটি বিশেষ দলের সন্ত্রাসীরা তাঁদের ভোটারদের নাজেহাল করছে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পক্ষপাতমূলক আচরণ করছে। তিনি দাবি করেন, অপপ্রচার চালিয়ে নির্বাচনি ঐক্য বিনষ্টের চেষ্টা করা হচ্ছে।

নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত রোডম্যাপ অনুযায়ী, আগামীকাল বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) থেকে প্রার্থীরা আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু করতে পারবেন। ১২ ফেব্রুয়ারি বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণের পাশাপাশি জাতীয় সনদের ওপর ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ ভোট (গণভোট) অনুষ্ঠিত হবে।

আই.এ/সকালবেলা

মন্তব্য করুন