মাদক চোরাচালান ঠেকাতে সীমান্তে কড়া নজর
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি), বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), কোস্ট গার্ড, পুলিশ এবং র্যাবসহ অন্যান্য গোয়েন্দা সংস্থা যৌথভাবে তথ্য আদান-প্রদান ও বিশেষ অভিযান পরিচালনা করছে। ডিএনসির মহাপরিচালক মো. হাসান মারুফ জানান, মাদক একটি জাতীয় নিরাপত্তাজনিত সমস্যা। এটি মোকাবিলায় শুধু আইন প্রয়োগ নয়, পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সামাজিক সংগঠনের সম্মিলিত অংশগ্রহণ জরুরি।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন-২০১৮ অনুযায়ী অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। অপরাধের ধরন অনুযায়ী কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডের বিধান কার্যকর রয়েছে। পাশাপাশি মাদকাসক্তদের সুস্থ জীবনে ফেরাতে সারা দেশে ৪টি সরকারি ও ৩৮৬টি লাইসেন্সপ্রাপ্ত বেসরকারি নিরাময় কেন্দ্রে চিকিৎসা ও পুনর্বাসন সেবা প্রদান করা হচ্ছে।
মাদক প্রতিরোধে বিশেষজ্ঞ ও সমাজবিজ্ঞানীরা বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দিয়েছেন
মাদক ব্যবসায়ীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন সমাজবিজ্ঞানীরা। মাদকবিরোধী সচেতনতা বাড়াতে তৃণমূল পর্যায়ে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। সন্তানদের খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে উৎসাহিত করা এবং পারিবারিক অনুশাসনের মাধ্যমে তাদের মাদক থেকে দূরে রাখার আহ্বান জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
আগামী ২৬ জুন ‘মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারবিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস’ উপলক্ষে ডিএনসির উদ্যোগে দেশব্যাপী সচেতনতামূলক কর্মসূচি পালন করা হবে। জাতিসংঘ ঘোষিত এই দিনে মাদকের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে জনগণকে সচেতন করাই মূল লক্ষ্য।
জান্নাত সকালবেলা
|