৩ জেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার শঙ্কা
অনলাইন ডেস্ক: টানা বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকায় দেশের বিভিন্ন নদ-নদীর পানি সমতল বৃদ্ধি পাচ্ছে। ইতোমধ্যে সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্টে কুশিয়ারা নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এই অবস্থায় আগামী ৭২ ঘণ্টায় (৩ দিন) দেশের উত্তরাঞ্চলের ৩টি জেলার নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চল সাময়িকভাবে প্লাবিত হতে পারে বলে শঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।
শুক্রবার (১৪ আগস্ট, ২০২৬) বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র থেকে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্যের কথা জানানো হয়।
পূর্বাভাসে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় উত্তরাঞ্চলীয় তিস্তা নদীর পানি সমতল বৃদ্ধি পেয়েছে। অন্যদিকে ধরলা ও দুধকুমার নদীর পানি হ্রাস পেলেও আগামী ৩ দিনে এসব নদীর পানি সমতল পুনরায় বৃদ্ধি পেতে পারে। এর ফলে নীলফামারী, লালমনিরহাট ও রংপুর জেলার কিছু কিছু স্থানে তিস্তা নদীর পানি সতর্কসীমার কাছাকাছি বা ওপর দিয়ে প্রবাহিত হতে পারে এবং নদী-সংলগ্ন নিম্নাঞ্চল সাময়িকভাবে প্লাবিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের পূর্বাঞ্চলীয় ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় চট্টগ্রাম বিভাগের মাতামুহুরী নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। অন্যদিকে গোমতী, মুহুরী, সেলোনিয়া, ফেনী, হালদা ও সাঙ্গু নদীর পানি কমলেও আগামী ৩ দিনে এসব নদীর পানিও বৃদ্ধি পেতে পারে বলে জানিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস কেন্দ্র।
অন্যদিকে ব্রহ্মপুত্র-যমুনা নদীর পানি সমতল গত ২৪ ঘণ্টায় হ্রাস পেয়েছে, যা আগামী ৩ দিন অব্যাহত থাকতে পারে। পাশাপাশি গঙ্গা-পদ্মা নদীর পানি স্থিতিশীল রয়েছে। তবে বর্তমানে এই নদীগুলোর পানি বিপৎসীমার নিচ দিয়েই প্রবাহিত হচ্ছে।
উত্তর-পূর্বাঞ্চলের প্রধান সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর পানি গত ২৪ ঘণ্টায় কিছুটা কমলেও সিলেটে কুশিয়ারার পানি এখনো বিপৎসীমার ওপরে অবস্থান করছে। আগামী ৩ দিন এসব নদীর পানি সমতল হ্রাসের ধারা বজায় থাকতে পারে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
|