রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের নতুন তফসিল ঘিরে তোড়জোর: ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের সঙ্গে ইসি’র বৈঠক

প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১২:২২ অপরাহ্ণ
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের নতুন তফসিল ঘিরে তোড়জোর: ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের সঙ্গে ইসি’র বৈঠক

অনলাইন ডেস্ক: দেশের ২৩-তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক তফসিল ঘোষণা ও সার্বিক নির্বাচনী প্রস্তুতি নিয়ে জাতীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সকাল ১১টায় জাতীয় সংসদ ভবনে অবস্থিত ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের কার্যালয়ে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) এক প্রতিনিধি দল নিয়ে এই বৈঠকে বসেন সিইসি।

নির্বাচন কমিশনের দীর্ঘদিনের নিয়ম অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক তফসিল ঘোষণার পূর্বে নির্বাচন কমিশন থেকে জাতীয় সংসদের স্পিকারের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের দায়িত্বপ্রাপ্ত ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের দপ্তরে ইসি প্রতিনিধি দলটি সাক্ষাৎ করতে যায়।

এর আগে গত রবিবার নির্বাচন কমিশন ভবনে সিইসির কার্যালয়ে নির্বাচন কমিশনারগণ ও সিনিয়র সচিবের উপস্থিতিতে একটি উচ্চপর্যায়ের অনির্ধারিত পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভায় বিদ্যমান রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সংক্রান্ত আইনি বিধিবিধান পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে বিশ্লেষণ করা হয় এবং পরবর্তী কার্যক্রম নির্ধারণের লক্ষ্যে স্পিকারের সঙ্গে জরুরি বৈঠকের সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।

সংবিধান ও প্রচলিত নিয়ম মোতাবেক, জাতীয় সংসদের সংসদ সদস্যদের গোপন ভোটাধিকারের মাধ্যমেই দেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়ে থাকেন। সে কারণে নির্বাচন সম্পন্ন করার প্রাথমিক পদক্ষেপ হিসেবে জাতীয় সংসদ সচিবালয় থেকে বর্তমান সংসদ সদস্যদের হালনাগাদ নামের তালিকা ও আনুষঙ্গিক তথ্য ইসি সচিবালয়ে পাঠানো হবে। সংসদ সচিবালয়ের সেই তালিকার ভিত্তিতেই চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রণয়ন করবে নির্বাচন কমিশন এবং এরপর রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক তারিখ ও তফসিল ঘোষণা করা হবে।

উল্লেখ্য, গত শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেলে ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেন মো. সাহাবুদ্দিন। তাঁর পদত্যাগের পর সাংবিধানিক ক্ষমতাবলে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ এবং ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের দায়িত্ব পালন করছেন। দেশের সংবিধানের বিধান অনুসারে, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ার পরবর্তী ৯০ কার্যদিবসের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

মন্তব্য করুন