ভিডিও
স্টোরি
ফটো স্টোরি
লাইফস্টাইল ডেস্ক: দেশজুড়ে বইছে তীব্র তাপদাহ। গরমে প্রাণ ওষ্ঠাগত হওয়ায় তৃষ্ণা মেটাতে আমরা অনেকেই ফ্রিজের বরফঠান্ডা পানির ওপর নির্ভর করি। তবে এই অভ্যাস শরীরের জন্য কতটা উপকারী বা ক্ষতিকর, তা নিয়ে পাঠকদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন বিশিষ্ট পুষ্টিবিদ কোয়েল পাল চৌধুরী।
ঠান্ডা পানি পানের প্রভাব: পুষ্টিবিদদের মতে, গরমে ঠান্ডা পানি পান করা পুরোপুরি নিষিদ্ধ নয়। তবে অতিরিক্ত ঠান্ডা বা হঠাৎ করে খুব ঠান্ডা পানি পান করলে শরীরে বেশ কিছু জটিলতা দেখা দিতে পারে। বিশেষ করে বাইরে তীব্র রোদে থাকার পর তাৎক্ষণিকভাবে বরফঠান্ডা পানি পান করলে শরীরের তাপমাত্রার আকস্মিক পরিবর্তন ঘটে, যা ভারসাম্যহীনতা তৈরি করতে পারে।
অতিরিক্ত ঠান্ডা পানি পানের ঝুঁকি:
তাপমাত্রার ভারসাম্যহীনতা: শরীরের স্বাভাবিক তাপমাত্রার চেয়ে পানির তাপমাত্রা অনেক কম হওয়ায় অভ্যন্তরীণ অঙ্গে শক লাগতে পারে।
শ্বাসকষ্ট ও কফ: ফুসফুসে কফ জমার ঝুঁকি বাড়ে এবং দীর্ঘস্থায়ী সর্দি-কাশির সম্ভাবনা তৈরি হয়।
দাঁতের সমস্যা: দাঁতে শিরশিরানি বা তীব্র সংবেদনশীলতা দেখা দিতে পারে।
হজম প্রক্রিয়ায় বাধা: অনেকের ক্ষেত্রে খুব ঠান্ডা পানি পরিপাক প্রক্রিয়াকে ধীর করে দেয়।
বিশেষজ্ঞের পরামর্শ: ১. সরাসরি ফ্রিজের পানির বদলে স্বাভাবিক তাপমাত্রার পানির সঙ্গে সামান্য ঠান্ডা পানি মিশিয়ে পান করুন। ২. চর্বি বাড়ার যে প্রচলিত ধারণা আছে, সেটি ভুল; তবে সুস্থতার জন্য স্বাভাবিক পানিই শ্রেয়। ৩. হজম ভালো রাখতে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে খালি পেটে হালকা গরম পানি পানের অভ্যাস বজায় রাখুন। ৪. গরমে সুস্থ থাকতে প্রতিদিন অন্তত ৩-৪ লিটার পানি পান নিশ্চিত করুন।
তৃষ্ণা মেটাতে চিনির শরবতের চেয়ে ডাবের পানি, ঘরে তৈরি ফলের রস বা ঘোল বেশি কার্যকর। মনে রাখবেন, হঠাৎ তৃপ্তি পাওয়ার চেয়ে দীর্ঘমেয়াদী সুস্থতাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
জান্নাত/সকালবেলা
| আজকের তারিখঃ বঙ্গাব্দ