বাংলাদেশ গ্রিন পার্টি
আজ রোববার (১৭ মে) এক যৌথ বিবৃতিতে দলের আহ্বায়ক রিদওয়ান হাসান ও সদস্য সচিব সালাহউদ্দীন জাহাঙ্গীর এই প্রতিবাদ জানান।
গ্রিন পার্টির নেতৃবৃন্দ বলেন, কর্মক্ষেত্রে শৃঙ্খলা, নোটিশ পিরিয়ড ও প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুসরণের প্রয়োজনীয়তা অবশ্যই রয়েছে। তবে কোনো কর্মীকে কার্যত পূর্ববর্তী প্রতিষ্ঠানের অনুমতির ওপর সম্পূর্ণ নির্ভরশীল করে নতুন কর্মসংস্থানের পথ সীমিত করা শ্রম অধিকারের পরিপন্থী। অনেক সময় বেতন বকেয়া বা কর্মপরিবেশ নিয়ে বিরোধ থাকলে প্রতিষ্ঠান ছাড়পত্র দিতে অনাগ্রহ দেখায়; এতে কর্মীরা দীর্ঘমেয়াদি পেশাগত অনিশ্চয়তায় পড়বেন।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ক্ষমতার ভারসাম্যকে একতরফাভাবে নিয়োগদাতার দিকে ঠেলে দিলে কর্মীর অবস্থান আরও দুর্বল হয়ে পড়ে। তাই নিয়ম মেনে ইস্তফা দেওয়ার পর ৭ কার্যদিবসের মধ্যে কোনো যৌক্তিক কারণ ছাড়া এনওসি ঝুলিয়ে রাখা যাবে না—মর্মে অ্যাটকোকে পুনঃনোটিশ প্রদান করতে হবে। অন্যথায় কর্মীরাও আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ পাবেন।
গণমাধ্যম শিল্পে দক্ষ কর্মীদের স্বাভাবিক চলাচল বাধাগ্রস্ত হলে সুস্থ প্রতিযোগিতার পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হবে উল্লেখ করে দলটি অবিলম্বে এই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করে গণমাধ্যমকর্মীদের অধিকার, শ্রমনীতি ও পেশাগত স্বাধীনতা রক্ষা করার জন্য অ্যাটকোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।