পাকুন্দিয়ার মঠখোলায় আধুনিক যাত্রী ছাউনির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন জেলা পরিষদ প্রশাসক ও এমপি

পাকুন্দিয়ার মঠখোলায় যাত্রী ছাউনি নির্মাণের উদ্বোধন, দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ লাঘবের আশা

এডমিন
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬, ০৮:১৮ অপরাহ্ণ
পাকুন্দিয়ার মঠখোলায় আধুনিক যাত্রী ছাউনির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন জেলা পরিষদ প্রশাসক ও এমপি

পাকুন্দিয়ার মঠখোলায় আধুনিক যাত্রী ছাউনির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন

কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার মঠখোলা থানারঘাট এলাকায় যাতায়াতকারী যাত্রী সাধারণের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ লাঘবে নির্মিত হতে যাচ্ছে একটি আধুনিক যাত্রী ছাউনি। আজ বৃহস্পতিবার (৭ মে ২০২৬) দুপুরে এক বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে এই উন্নয়ন কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে।

কিশোরগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল এই আধুনিক যাত্রী ছাউনির শুভ ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ-২ (কটিয়াদী-পাকুন্দিয়া) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মো. জালাল উদ্দিন। কিশোরগঞ্জ জেলা পরিষদের উদ্যোগ ও অর্থায়নে এই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনকালে অতিথিবৃন্দ নামফলক উন্মোচন করেন এবং স্থানীয় উন্নয়ন ও জনগণের মঙ্গল কামনা করে দোয়া ও মোনাজাতে অংশ নেন। মঠখোলা থানারঘাট এলাকাটি অত্যন্ত জনগুরুত্বপূর্ণ ও ব্যস্ততম মোড় হওয়া সত্ত্বেও এখানে কোনো স্থায়ী যাত্রী ছাউনি ছিল না। ফলে স্কুল-কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থীসহ সাধারণ যাত্রীদের রোদ ও বৃষ্টিতে দীর্ঘকাল ধরে সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হতো।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য জালাল উদ্দিন একটি গণমাধ্যমকে বলেন, “জনগণের মৌলিক সুবিধা নিশ্চিত করাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য। থানারঘাটে এই আধুনিক যাত্রী ছাউনিটি নির্মিত হলে এলাকার শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষ যাতায়াতের সময় নিরাপদ আশ্রয়ের সুযোগ পাবেন। জনস্বার্থে এ ধরনের উন্নয়নমূলক কাজ অব্যাহত থাকবে।”

ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে জেলা পরিষদ প্রশাসক খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল একটি গণমাধ্যমকে জানান, জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে জেলার প্রতিটি জনগুরুত্বপূর্ণ স্থানে পর্যায়ক্রমে এ ধরনের আধুনিক যাত্রী ছাউনি নির্মাণ করা হবে। তিনি কাজের গুণগত মান বজায় রেখে দ্রুততম সময়ের মধ্যে নির্মাণ কাজ শেষ করার জন্য সংশ্লিষ্টদের কঠোর নির্দেশনা দেন।

যাত্রী ছাউনি নির্মাণের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন মঠখোলা এলাকার বাসিন্দারা। তারা জানান, এই ছাউনিটি নির্মিত হলে এলাকার দৃশ্যপট বদলে যাবে এবং দীর্ঘদিনের ভোগান্তির অবসান ঘটবে। অনুষ্ঠানে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য করুন