স্পোর্টস ডেস্ক: ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপকে সামনে রেখে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্ছিদ্র করতে বড় পদক্ষেপ নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্য। বড় এই আসরে অননুমোদিত বা ঝুঁকিপূর্ণ ড্রোন মোকাবিলায় উন্নত প্রযুক্তি সংগ্রহের জন্য প্রায় ৩২ লাখ ডলারের অনুদান পেয়েছে টেক্সাস জননিরাপত্তা বিভাগ (ডিপিএস)।
বিভাগটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই অর্থ দিয়ে এমন আধুনিক প্রযুক্তি মোতায়েন করা হবে যা স্টেডিয়াম ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার আশপাশে সন্দেহভাজন ড্রোন শনাক্ত, অনুসরণ এবং প্রয়োজনে সেটির নিয়ন্ত্রণ নিতে সক্ষম। প্রযুক্তিটি স্থায়ী এবং চলন্ত—উভয় অবস্থাতেই আকাশসীমা পর্যবেক্ষণ করতে পারবে। রেডিও তরঙ্গ এবং ফেডারেল শনাক্তকরণ সংকেত ব্যবহার করে এটি তাৎক্ষণিকভাবে ড্রোনের অবস্থান নিশ্চিত করবে।
টেক্সাস জননিরাপত্তা বিভাগের কর্নেল ফ্রিম্যান মার্টিন বলেন, “বিশ্বকাপের মতো আন্তর্জাতিক আয়োজনে লাখো দর্শনার্থী টেক্সাসে আসেন। জননিরাপত্তা ও অবকাঠামো রক্ষায় এটি একটি বড় চ্যালেঞ্জ। যেকোনো ধরনের হুমকি মোকাবিলায় আমরা এই উন্নত ড্রোন প্রতিরোধ প্রযুক্তিসহ সব ধরনের সম্পদ ব্যবহার করতে প্রস্তুত।”
বিভাগটির প্রধান বৈমানিক কর্মকর্তা স্টেসি হল্যান্ড ড্রোন ব্যবহারকারীদের আকাশসীমার বিধিনিষেধ মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি জানান, এই প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত কর্মকর্তারা যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থার (এফবিআই) অধীনে বিশেষ প্রশিক্ষণ নেবেন।
২০২৬ বিশ্বকাপের আয়োজক শহরগুলোর মধ্যে টেক্সাসের ডালাস ও হিউস্টন অন্যতম। ডিপিএস জানিয়েছে, নতুন এই প্রযুক্তি কেবল বিশ্বকাপেই নয়, ভবিষ্যতের যেকোনো বড় জনসমাগম ও জরুরি উদ্ধার অভিযানেও ব্যবহার করা হবে। যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় সরকারের ড্রোনবিরোধী ক্ষমতা বাড়ানোর নতুন প্রতিরক্ষা আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।