কৃতি শিক্ষার্থীদের সাথে ব্যারিস্টার জাইমা রহমানের প্রাণবন্ত আড্ডা
প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে চলা এই আড্ডায় জাইমা রহমান শিশুদের স্বপ্ন, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এবং ব্যক্তিগত আগ্রহের বিষয়গুলো অত্যন্ত মনোযোগ দিয়ে শোনেন। তিনি শিশুদের পরামর্শ দিয়ে বলেন, “জীবনের বড় লক্ষ্য অর্জনের জন্য পাঠ্যবইয়ের শিক্ষার পাশাপাশি সাহিত্য, সংস্কৃতি, খেলাধুলা ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ অপরিহার্য। নিজেকে মানবিক ও আত্মবিশ্বাসী মানুষ হিসেবে গড়ে তোলাই হোক তোমাদের মূল লক্ষ্য।”
আড্ডার একপর্যায়ে ঘরোয়া পরিবেশ তৈরি হয় যখন রান্নাবান্না নিয়ে আলাপ শুরু হয়। শিশুরা যখন তাদের রান্না করা বিরিয়ানি খাওয়ানোর ইচ্ছা প্রকাশ করে, তখন জাইমা রহমান রসিকতা করে বলেন, “বিরিয়ানির সঙ্গে ইলিশ মাছ দিলে মন্দ হয় না!” এই কথায় পুরো আয়োজনে আনন্দের হিল্লোল বয়ে যায়।
শিক্ষার্থীরা জানায়, প্রধানমন্ত্রীর কন্যাকে এত কাছে পেয়ে তারা দারুণ অনুপ্রাণিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে তিনি শিক্ষার্থীদের টি-শার্টে অটোগ্রাফ দেন এবং তাদের সঙ্গে মধ্যাহ্নভোজে অংশ নেন। কসবা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী জাফনাহ ইসলাম নাযিফা মুগ্ধতা প্রকাশ করে বলে, “জাইমা আপু আমাদের পড়ার বাইরেও জীবন নিয়ে যে সাহস দিলেন, তা আমাদের অনেক এগিয়ে দেবে।”
উক্ত অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি ও সংসদ সদস্য মুশফিকুর রহমান, কসবা ও আখাউড়ার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ স্থানীয় শিক্ষা বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। তারা জাইমা রহমানের এই উদ্যোগকে শিশুদের মানসিক বিকাশে একটি অনন্য ও অনুপ্রেরণাদায়ক দৃষ্টান্ত হিসেবে অভিহিত করেছেন। ব্যারিস্টার জাইমা রহমান আয়োজকদের ধন্যবাদ জানানোর পাশাপাশি কসবা-আখাউড়া এলাকাটি সফরের ইচ্ছাও ব্যক্ত করেন।
জান্নাত সকালবেলা
|