ভিডিও
স্টোরি
ফটো স্টোরি
রিপন হালদার, স্টাফ রিপোর্টার: মোংলা-খুলনা মহাসড়কে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১৪ জনের মধ্যে একই পরিবারের ৯ সদস্যের জানাজা ও দাফন সম্পন্ন হয়েছে।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) বাদ জুমা মোংলা উপজেলা পরিষদ মাঠে কয়েক হাজার মানুষের উপস্থিতিতে এক হৃদয়বিদারক পরিবেশে এই জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
মোংলা ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মো. রুহুল আমিনের ইমামতিতে জানাজায় নিহতের স্বজন ও এলাকাবাসীর ঢল নামে। জানাজায় উপস্থিত ছিলেন:
শেখ ফরিদুল ইসলাম: পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী।
শেখ মঞ্জরুল হক রাহাদ: বাগেরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য।
গোলাম মো. বাতেন: বাগেরহাট জেলা প্রশাসক।
মোহাম্মদ হাছান চৌধুরী: পুলিশ সুপার, বাগেরহাট। এছাড়াও স্থানীয় বিএনপির বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ জানাজায় অংশ নেন।
জানাজা শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন:
“বাংলাদেশের ইতিহাসে এটি একটি বিরল ও অত্যন্ত হৃদয়বিদারক দুর্ঘটনা। একই পরিবারের এতজন সদস্যের মৃত্যু মেনে নেওয়া কঠিন।”
ক্ষতিপূরণ সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, বিআরটিএ-এর রেগুলেশন অনুযায়ী রাষ্ট্রীয় ট্রাস্ট থেকে নিহত প্রতি পরিবারের জন্য ৫ লক্ষ টাকা বরাদ্দের বিধান রয়েছে। উপজেলা প্রশাসন প্রয়োজনীয় নথিপত্র প্রস্তুত করে দিলেই ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো এই সহায়তা পাবে।
উল্লেখ্য, গত ১২ মার্চ বৃহস্পতিবার খুলনা-মোংলা মহাসড়কের রামপাল উপজেলার বেলাই ব্রিজ এলাকায় যাত্রীবাহী মাইক্রোবাস দুর্ঘটনার কবলে পড়লে চালকসহ ১৪ জন নিহত হন। নিহতদের মধ্যে ৯ জনই মোংলা পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আঃ রাজ্জাক-এর পরিবারের সদস্য। তারা কয়রা উপজেলা থেকে আঃ রাজ্জাকের ছেলের বিয়ের অনুষ্ঠান শেষে নববধূ নিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন। জানাজা শেষে নিহত ৯ জনকে পাশাপাশি কবরে দাফন করা হয়।
নববধূর আগমনের অপেক্ষায় থাকা বাড়িতে আজ চলছে স্বজন হারানোর বুকফাটা আর্তনাদ। এই ঘটনায় মোংলাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
| আজকের তারিখঃ বঙ্গাব্দ