জ্বালানি সংকট মোকাবেরায় মুকসুদপুরে বিএনপি নেতাদের স্বেচ্ছাশ্রম

জ্বালানি সংকট মোকাবেরায় মুকসুদপুরে বিএনপি নেতাদের স্বেচ্ছাশ্রম

রাসেল শেখ, মুকসুদপুর (গোপালগঞ্জ) গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলায় সাধারণ মানুষের ভোগান্তি লাঘবে ডিজেল, অকটেন ও পেট্রোল বিতরণ কার্যক্রম সুশৃঙ্খল রাখতে এক অনন্য মানবিক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ। উপজেলার পেট্রোল পাম্পগুলোতে দিনরাত সিরিয়াল বজায় রাখা এবং সুশৃঙ্খলভাবে জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে স্বেচ্ছাশ্রমে কাজ করছেন তারা।

মঙ্গলবার (৩১ মার্চ ২০২৬) মুকসুদপুরের বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে গিয়ে দেখা যায়, প্রচণ্ড ভিড় সামলাতে এবং সাধারণ মানুষের অধিকার নিশ্চিত করতে তদারকি করছেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুস সালাম খানসহ অন্যান্য শীর্ষ নেতারা।

এই কার্যক্রমে সরাসরি মাঠে থেকে সহযোগিতা করছেন মুকসুদপুর উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব মাহফুজ হাচান, স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক বিপ্লব মিয়া এবং উপজেলা ছাত্রদলের কাজী মনিরুজ্জামান মনির। তারা জানান, জ্বালানি সংকটের এই সময়ে যাতে কোনো বিশৃঙ্খলা না হয় এবং প্রকৃত ব্যবহারকারীরা যেন হয়রানি ছাড়া তেল পায়, সেটি নিশ্চিত করাই তাদের মূল লক্ষ্য।

উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুস সালাম খান বলেন, "আমরা মানুষের পাশে দাঁড়াই—এটি কেবল রাজনৈতিক কর্মসূচি নয়, বরং মানবিক কর্তব্য। মানুষের ভোগান্তির সময় এগিয়ে আসাটাই আমাদের প্রধান দায়িত্ব।"

উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব মাহফুজ হাচান যোগ করেন, "স্বেচ্ছাশ্রমে মাঠে থেকে মানুষের সমস্যা শোনা এবং তা সমাধানের চেষ্টা করা আমাদের জন্য গর্বের বিষয়। আমরা চাই না কেউ জ্বালানি সংকটে পড়ে ভোগান্তিতে থাকুক।"

সাংসদ সেলিমুজ্জামান সেলিমের অবদান: স্থানীয়রা জানান, এই কার্যক্রমকে সুশৃঙ্খল ও শক্তিশালী করতে স্থানীয় সংসদ সদস্য সেলিমুজ্জামান সেলিম বিভিন্নভাবে অবদান রেখেছেন। তাঁর দিকনির্দেশনা ও আন্তরিক সহযোগিতায় সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং জ্বালানি সরবরাহের সমন্বয় সহজতর হয়েছে।

জনগণের প্রতিক্রিয়া: উপজেলার সাধারণ চালক ও কৃষকরা এই উদ্যোগের প্রশংসা করে বলেন, বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাদের এই স্বেচ্ছাশ্রম আমাদের ভোগান্তি অনেক কমিয়ে দিয়েছে। বিশেষ করে গভীর রাতেও তাদের উপস্থিতি আমাদের আশ্বস্ত করছে। এমপি সেলিম ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দের এই ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টা মানবিকতার এক উজ্জ্বল উদাহরণ হয়ে থাকবে।

মুকসুদপুরের এই উদ্যোগ প্রমাণ করছে, রাজনৈতিক পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে যখন নেতৃত্ব মানুষের কল্যাণে নিবেদিত হয়, তখন তা সমাজের প্রতিটি স্তরে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।

এন.এ/সকালবেলা

মন্তব্য করুন