মণিরামপুর উপজেলা বিএনপি নেতা আসাদুজ্জামান মিন্টুর শারীরিক অবস্থার উন্নতি

প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট ২০২৬, ০৭:৩৫ অপরাহ্ণ
মণিরামপুর উপজেলা বিএনপি নেতা আসাদুজ্জামান মিন্টুর শারীরিক অবস্থার উন্নতি
চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে চিকিৎসাধীন মণিরামপুর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান মিন্টু (ফাইল ছবি)।

আব্দুল্লাহ আল মামুন, যশোর: অস্ত্রোপচার পরবর্তী জটিলতা কাটিয়ে শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হয়েছে যশোরের মণিরামপুর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক ছাত্রনেতা মো. আসাদুজ্জামান মিন্টুর। বর্তমানে তাঁকে হাসপাতালের করোনারি কেয়ার ইউনিটের (সিসিইউ) বিশেষ কেবিনে চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, পূর্বের তুলনায় বর্তমানে তাঁর শরীরে অক্সিজেন গ্রহণের মাত্রা বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে অস্ত্রোপচার পরবর্তী সংক্রমণ ও জটিলতা এড়াতে তাঁকে কঠোর স্বাস্থ্যবিধি মেনে নিবিড় পরিচর্যায় রাখা হয়েছে এবং কোনো দর্শনার্থীকে তাঁর সাথে দেখা বা কথা বলার অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না।

এদিকে উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান মিন্টুর বড় ছেলে শরীফ তোহা এক আবেগঘন ফেসবুক পোস্টে পিতার সর্বশেষ শারীরিক অবস্থা জানিয়ে মণিরামপুরবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। বুধবার (২৬ আগস্ট ২০২৬) এক বার্তায় তোহা শুভাকাঙ্ক্ষীদের উদ্দেশে বলেন, “সকলের দোয়ায় আব্বুর শারীরিক অবস্থা এখন উন্নতির দিকে। অস্ত্রোপচার পরবর্তী দুই সপ্তাহ পর্যন্ত নানা ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণের ঝুঁকি থাকায় চিকিৎসকদের কঠোর বিধিনিষেধ রয়েছে। তাই অযথা হাসপাতালে এসে ভিড় না করে সবাই দূর থেকেই তাঁর দ্রুত সুস্থতার জন্য দোয়া করবেন। ইনশাআল্লাহ তিনি সুস্থ হয়ে দ্রুত সবার মাঝে ফিরে আসবেন।”

এদিকে সাবেক এই জনপ্রিয় ছাত্রনেতার শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিতে ঢাকা, যশোর ও মণিরামপুরের বিএনপি এবং এর অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা হাসপাতালে যাচ্ছেন। এ ছাড়া ভার্চ্যুয়ালি ভিডিও কলের মাধ্যমে তাঁর চিকিৎসার সার্বিক খোঁজখবর নিয়েছেন মণিরামপুর উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো. মফিজুর রহমান মফিজ এবং সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট শহীদ মো. ইকবাল হোসেনসহ তৃণমূলের নেতৃবৃন্দ।

উল্লেখ্য, গত শনিবার সকালে তাঁর অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়। চিকিৎসকদের ভাষ্য অনুযায়ী, অস্ত্রোপচার পরবর্তী সময়টি অত্যন্ত সংবেদনশীল হলেও বর্তমানে তিনি স্থিতিশীল এবং চিকিৎসায় ইতিবাচক সাড়া দিচ্ছেন।

মন্তব্য করুন