মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আসামি হচ্ছেন ড. জাফর ইকবাল
জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষার্থীদের ওপর সংঘটিত হামলা ও নির্যাতনের অভিযোগে দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় লেখক ও শিক্ষাবিদ অধ্যাপক ড. মুহম্মদ জাফর ইকবালকে আসামি করা হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর গাজী এম এইচ তামীম তদন্ত সংস্থার প্রতিবেদন জমার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলায় ড. জাফর ইকবাল ছাড়াও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক এ এস এম মাকসুদ কামাল, হাইকোর্টের সাবেক বিচারপতি এ বি এম নিজামুল হক মানিক, শিক্ষক কে এম জামাল উদ্দিন এবং ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ওয়ালি আসিফ ইনানসহ মোট আটজনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন শাখায় আনুষ্ঠানিক তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে।
প্রসিকিউশন সূত্রে জানা গেছে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর দমন-পীড়ন ও হামলার ঘটনায় দীর্ঘদিন ধরে নিবিড় তদন্ত পরিচালনা করে ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা। তদন্ত কার্যক্রম শেষে সম্প্রতি ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটরের কার্যালয়ে এই পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন দাখিল করেন সংশ্লিষ্ট তদন্ত কর্মকর্তা।
চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম ও প্রসিকিউশন দল জানান, বর্তমানে তদন্ত প্রতিবেদনটি আইনি পর্যালোচনার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। বিচারিক যাচাই-বাছাই ও প্রাসঙ্গিক নথিপত্র স্ক্রুটিনি শেষে খুব শিগগিরই আসামিদের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে ‘ফরমাল চার্জ’ বা আনুষ্ঠানিক অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, জুলাই আন্দোলন-সংক্রান্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারিক প্রক্রিয়ায় ঢাবির সাবেক ভিসি মাকসুদ কামালের সঙ্গে তাঁর একটি অডিও ফোনালাপ আগেই ট্রাইব্যুনালে উপস্থাপন করা হয়েছিল। প্রসিকিউশনের দাবি অনুযায়ী, উক্ত ফোনালাপে শেখ হাসিনা আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের ফাঁসি দেওয়ার বিষয়ে নিজের অবস্থান ব্যক্ত করেছিলেন।
|