ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ব্যাংকের লকার থেকে উদ্ধার হওয়া ৮৩২ ভরি সোনার বৈধতা যাচাইয়ে কঠোর অবস্থান নিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আজ সোমবার (৪ মে ২০২৬) এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালককে চিঠি দিয়ে প্রয়োজনীয় সকল নথিপত্র তলব করা হয়েছে।
দুদক সূত্রে জানা গেছে, শেখ হাসিনার অবৈধ সম্পদের অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে এই তথ্য চাওয়া হয়েছে। চিঠিতে ১৯৯০ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত ওই ব্যাংক শাখার লকার ইনচার্জ এবং শাখা ব্যবস্থাপকদের যাবতীয় রেকর্ড ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্র জমা দিতে বলা হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ২০২৫ সালের নভেম্বর মাসে একটি ব্যাংকের লকার থেকে এই ৮৩২ ভরি সোনা উদ্ধার করা হয়। দুদক জানায়, উদ্ধার করা সোনার নথিতে শেখ হাসিনার পাশাপাশি তাঁর বোন শেখ রেহানা এবং মেয়ের নামও পাওয়া গেছে। সংস্থাটি এখন খতিয়ে দেখছে এই বিপুল পরিমাণ স্বর্ণালঙ্কারের উৎস বৈধ কি না।
সোনার নথির পাশাপাশি শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে নির্বাচনী হলফনামায় তথ্য গোপনের অভিযোগও খতিয়ে দেখছে দুদক। সংস্থাটির দাবি, ২০০৮ সালের নির্বাচনী হলফনামায় শেখ হাসিনা ২ কোটি ৩ লাখ টাকার বেশি সম্পদের তথ্য গোপন করেছিলেন—এমন প্রমাণ ইতোমধ্যে পাওয়া গেছে।
সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের কর্মকর্তাদের রেকর্ড পর্যালোচনার পর এই স্বর্ণের বৈধতা এবং এর বিপরীতে কর পরিশোধ করা হয়েছিল কি না, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে বলে আশা করছে দুদক।
জান্নাত/সকালবেলা