ভিডিও
স্টোরি
ফটো স্টোরি
নিজস্ব প্রতিবেদক: ‘ব্যক্তি নয়, পরিবারই উন্নয়নের মূল একক’—এই দর্শনে ‘ফ্যামিলি কার্ড পাইলটিং বাস্তবায়ন গাইডলাইন-২০২৬’ চূড়ান্ত করেছে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়। আগামী ১০ মার্চ রাজধানীর কড়াইল বস্তিতে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। নতুন এই নীতিমালায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে উচ্চ আয়ের ও সচ্ছল ৬ শ্রেণির মানুষকে কার্ডের সুবিধার বাইরে রাখা হয়েছে।
কারা পাবেন না ফ্যামিলি কার্ড? নীতিমালা অনুযায়ী, নিচের বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন পরিবারগুলো এই সুবিধার আওতায় আসবে না: ১. পরিবারের কেউ সরকারি পেনশনভোগী হলে। ২. বাড়িতে এসি ব্যবহারকারী বা বিলাসবহুল গাড়ি ও সম্পদের মালিক। ৩. পরিবারের কোনো সদস্য সরকারি চাকরিজীবী হলে। ৪. বাণিজ্যিক লাইসেন্সের মালিক বা বড় ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত থাকলে।
অগ্রাধিকার পাবেন যারা ভূমিহীন, গৃহহীন, প্রতিবন্ধী সদস্যের পরিবার, হিজড়া, বেদে, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী এবং ০.৫ একর বা তার কম জমির মালিকরা এই কার্ড প্রাপ্তিতে অগ্রাধিকার পাবেন। সুবিধাভোগী নির্বাচনে খানা জরিপ ও এনআইডি কার্ডের মাধ্যমে সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হবে।
সুবিধা ও ভবিষ্যৎ লক্ষ্যমাত্রা পাইলট প্রকল্পের আওতায় প্রাথমিকভাবে সাড়ে ৬ হাজার হতদরিদ্র পরিবারকে আড়াই হাজার টাকা করে দেওয়া হবে, যা সরাসরি নারীর মোবাইল ওয়ালেট বা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা হবে। পর্যায়ক্রমে ২ কোটি পরিবারকে এই সুবিধার আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। একই স্মার্ট কার্ড ব্যবহার করে সাশ্রয়ী মূল্যে খাদ্য সহায়তা, শিক্ষা উপবৃত্তি ও কৃষি ভর্তুকিও পাওয়া যাবে। সরকারের লক্ষ্য ২০৩০ সালের মধ্যে একে একটি ‘সর্বজনীন সোশ্যাল আইডি কার্ড’-এ রূপান্তর করা।
সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন জানিয়েছেন, পাইলট প্রকল্পের জন্য ঢাকার কড়াইল বস্তি, চট্টগ্রামের পটিয়া, বান্দরবানের লামা ও সুনামগঞ্জের দিরাইসহ ১৩টি এলাকা নির্বাচন করা হয়েছে।
এমএম/সকালবেলা
| আজকের তারিখঃ বঙ্গাব্দ