গজারিয়ায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত
মো. দুলাল সরকার (গজারিয়া প্রতিনিধি): "শিক্ষকদের পাশে দাঁড়ানো: পেশা সুরক্ষা, এর মর্যাদা বৃদ্ধি এবং আমাদের ভবিষ্যৎ গঠনে ৬০ বছর"—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে পালিত হয়েছে বিশ্ব শিক্ষক দিবস।
সোমবার (৫ অক্টোবর) সকাল ১১টায় গজারিয়া উপজেলা প্রশাসন ও উদযাপন কমিটির যৌথ উদ্যোগে উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। র্যালিটি উপজেলার প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে পরিষদ সম্মেলনকক্ষে এক আলোচনা সভায় মিলিত হয়।
গজারিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মিজ্ উম্মে হাফসা নাদিয়ার সভাপতিত্বে এবং হোসেন্দি দাখিল মাদ্রাসার সুপার আবদুস সালামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ভারপ্রাপ্ত মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. রফিকুল হাসান, সাবেক মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. জাকির হোসেন, প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শাহনাজ পারভীন এবং ইউআরসি ইনস্ট্রাক্টর মো. আইয়ূব মিয়া।
আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন গজারিয়া উপজেলা মাধ্যমিক স্কুল-মাদ্রাসা শিক্ষক সমিতির সভাপতি মো. হানিফ মিয়া, গজারিয়া বাতেন আলিয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মুক্তার হোসেন মিয়াজী, গজারিয়া সরকারি মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আখতারুজ্জামান বিপুল, গুয়াগাছিয়া ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. কামাল হোসেন, ভাটেরচর দেওয়ান আবদুল মান্নান পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মুহাম্মাদ শাহজাহান শিকদারসহ বিভিন্ন মাধ্যমিক ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকগণ।
বক্তারা বলেন, শিক্ষকতা কোনো সাধারণ পেশা নয়, এটি জাতি গঠনের প্রধান ভিত্তি। শিক্ষাকে জাতির মেরুদণ্ড বলা হলেও শিক্ষকরা আজ নানাভাবে অবহেলিত। ন্যায্য দাবির জন্য শিক্ষকদের রাজপথে নামতে হওয়া অত্যন্ত অসম্মানজনক। তাই অবিলম্বে শিক্ষকদের উপযুক্ত আর্থিক ও সামাজিক মর্যাদা নিশ্চিত করার দাবি জানান তাঁরা।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিজ্ উম্মে হাফসা নাদিয়া বলেন, "শিক্ষকরা জাতি গঠনের কারিগর। একটি সুশিক্ষিত ও আধুনিক জাতি গঠনে শিক্ষকদের অবদানের পাশাপাশি অভিভাবকদেরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।"
এআইএল/সকালবেলা