ভিডিও
স্টোরি
ফটো স্টোরি
দশদিন আগে যুদ্ধ শুরুর পর আজ (মঙ্গলবার) ইরানের ওপর ‘সবচেয়ে তীব্র হামলা’ চালানো হবে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ। একই সঙ্গে গত ২৪ ঘণ্টায় ইরান সবচেয়ে কম সংখ্যক অস্ত্র ব্যবহার করেছে বলেও পেন্টাগনের এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানিয়েছেন।
সংবাদ সম্মেলনে জেনারেল ড্যান কেইন জানান, যৌথ বাহিনী তিনটি প্রধান লক্ষ্যের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে— মার্কিন স্বার্থে আঘাত হানার আগেই ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন সক্ষমতা ধ্বংস করা, ইরানের নৌবাহিনীর সক্ষমতা দুর্বল করা এবং ইরান যেন আগামী কয়েক বছর যুক্তরাষ্ট্র ও তার সহযোগীদের ওপর হামলা করতে না পারে তা নিশ্চিত করা। জেনারেল কেইন আরও বলেন, যুদ্ধের শুরুর দিকের তুলনায় বর্তমানে ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার প্রবণতা প্রায় ৯০ শতাংশ কমে গেছে। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের মাইন-স্থাপনকারী ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর ওপর আঘাত হানছে।
প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ বলেন, এই সংঘাতের ফলাফল ‘আমেরিকার পক্ষেই থাকবে’ এবং যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ‘পারমাণবিক ব্ল্যাকমেইলিং’ মেনে নেবে না। তিনি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুশিয়ারির পুনরাবৃত্তি করে বলেন, ইরান যদি হরমুজ প্রণালিতে তেল সরবরাহ বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করে, তবে তাদের ওপর ‘২০ গুণ বেশি শক্তিতে’ আঘাত করা হবে। বেসামরিক প্রাণহানি রোধে পেন্টাগন সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করছে বলেও তিনি দাবি করেন।
ইরান সরকার ‘দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধের’ জন্য প্রস্তুত বলে যে দাবি করেছে, সে বিষয়ে হেগসেথ বলেন, সম্মুখ সমরে থাকা সেনাদের রসদ সরবরাহে যুক্তরাষ্ট্র বদ্ধপরিকর। এছাড়া উপসাগরীয় প্রতিবেশী দেশগুলোর ওপর ইরানের আক্রমণকে ‘চরম হঠকারিতা’ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি জানান, এই আচরণের ফলে প্রতিবেশী দেশগুলো উল্টো যুক্তরাষ্ট্রকে সমর্থন দিচ্ছে। ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতার আঘাতপ্রাপ্ত হওয়ার খবর সম্পর্কে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। সবশেষে তিনি বলেন, এই যুদ্ধ অন্তহীন নয়; এর ব্যাপ্তি নির্ধারণ করা প্রেসিডেন্টের এখতিয়ার। দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদন অনুযায়ী এই তথ্য পাওয়া গেছে।
আই.এ/সকালবেলা
| আজকের তারিখঃ বঙ্গাব্দ