ভিডিও
স্টোরি
ফটো স্টোরি
বিনোদন ডেস্ক: নির্বাচনে পরাজিত হওয়া সত্ত্বেও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘোষিত মন্ত্রিসভায় টেকনোক্র্যাট কোটায় জায়গা পেয়েছেন সাবেক জাতীয় গোলরক্ষক আমিনুল হক। তাঁকে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। দায়িত্ব পাওয়ার পরপরই বিসিবি (BCB) প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাকে (সিইও) দেওয়া তাঁর একটি ফোনকলের ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে, যা নিয়ে তৈরি হয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া।
ভিডিওতে দেখা যায়, প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বিসিবি সিইওকে ফোন করে বিসিবি কার্যালয়সহ ক্রিকেট সংশ্লিষ্ট সব জায়গায় সাংবাদিকদের অবাধ প্রবেশের ওপর থাকা আগের সব নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার নির্দেশ দিচ্ছেন। অনেকটা সিনেমার ‘ফাটাকেষ্ট’ স্টাইলে দেওয়া এই নির্দেশের ভিডিওটি নেটিজেনদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। অনেকে একে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা হিসেবে দেখলেও, অনেকেই পেশাদারত্বের জায়গা থেকে প্রশ্ন তুলছেন।
জনপ্রিয় কনটেন্ট নির্মাতা ও অভিনেতা সালমান মুক্তাদির এই ভিডিওটি শেয়ার করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কড়া সমালোচনা করেছেন। তিনি সাংবাদিকদের যোগ্যতা এবং পেশাদারিত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলে লিখেছেন, "তাহলে কি কালকে আমি শুধু একটা মাইক আর ক্যামেরা নিয়ে ঢুকে নিজেকে সাংবাদিক বলতে পারব? খোঁটা দিচ্ছি না, সত্যি জানতে চাই। যদি এমনটাই হয়, তাহলে ভবিষ্যতে ছেলে-মেয়েরা কেন কষ্ট করে সাংবাদিকতা পড়বে বা চর্চা করবে?"
তিনি আরও উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, যারা যথাযথ যোগ্যতা ছাড়া 'সাংবাদিক' পরিচয়ে প্রতিবেদন করবেন, তাদের দায়ভার কি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী নেবেন না? তাঁর মতে, দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞ ও শিক্ষিত সাংবাদিকদের জন্য এ ধরনের সিদ্ধান্ত অপমানজনক হতে পারে। যেকোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে অংশীজনদের সঙ্গে পরামর্শ না করাকে তিনি ভবিষ্যতের জন্য নেতিবাচক ইঙ্গিত বলে অভিহিত করেন।
সাবেক ফুটবলার আমিনুল হক দেশের ক্রীড়াঙ্গনে অত্যন্ত পরিচিত মুখ হলেও নির্বাচনে পরাজিত হওয়ার পর তাঁর এই মন্ত্রিত্ব পাওয়া নিয়ে রাজনৈতিক ও ক্রীড়া মহলে চলছে নানা চুলচেরা বিশ্লেষণ। তাঁর সমর্থকরা মনে করছেন, মাঠের মানুষ হিসেবে তিনি ক্রীড়াঙ্গনের সমস্যাগুলো দ্রুত সমাধান করতে পারবেন। তবে প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে তাঁর 'ফিল্মি স্টাইল' পেশাদার ক্রীড়া কাঠামোর সঙ্গে কতটা সামঞ্জস্যপূর্ণ, তা নিয়ে বিতর্ক রয়েই যাচ্ছে।
| আজকের তারিখঃ বঙ্গাব্দ