ভিডিও
স্টোরি
ফটো স্টোরি
থাইল্যান্ডের সাধারণ নির্বাচনে অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী অনুতিন চার্নভিরাকুলের দল ভুমজাইথাই পার্টি বড় জয় লক্ষ্য করছে। রবিবার অনুষ্ঠিত নির্বাচনে দেশের প্রধান তিনটি রাজনৈতিক দলের মধ্যে অনুতিনের দল একক আধিপত্য বিস্তার করেছে। এ জয় জোট সরকার গঠন সহজ করবে এবং দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অস্থিরতা হ্রাসে সহায়ক হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।
গত বছরের মাঝামাঝি সময়ে কম্বোডিয়ার সঙ্গে সীমান্ত সংঘাতের পর জাতীয়তাবাদী আবেগ কাজে লাগিয়ে অনুতিন আগাম নির্বাচনের ডাক দেন। এর আগে পপুলিস্ট ফেউ থাই পার্টির প্রধানমন্ত্রী পেতংতার্ন সিনাওয়াত্রা ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর মাত্র ১০০ দিনেরও কম সময় আগে দায়িত্ব নেন অনুতিন।
নির্বাচন কমিশনের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ৮০% ভোট গণনা শেষে ভুমজাইথাই পার্টি প্রতিদ্বন্দ্বী দলগুলোর চেয়ে অনেক এগিয়ে রয়েছে। দ্বিতীয় অবস্থানে আছে প্রগতিশীল পিপলস পার্টি, এবং তৃতীয় স্থানে ফেউ থাই পার্টি।
নির্বাচনের শেষ সপ্তাহে জরিপে ৫০০ আসনের প্রতিনিধি সভায় ভুমজাইথাই পার্টির ১৪০–১৫০টি আসন পাওয়ার পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল। পিপলস পার্টির প্রাপ্ত আসন অনুমান ১২৫–১৩৫।
ভোট শেষে অনুতিন সাংবাদিকদের বলেন, “আমরা আমাদের সাধ্যমতো সব করেছি। আশা করি জনগণ আমাদের ওপর আস্থা রাখবে।” পিপলস পার্টির নেতা নাত্তাফং রুয়েংপানিয়াওয়াত বলেছেন, তার দল ভুমজাইথাই সরকারের অংশ হবে না এবং বিরোধী দলের অবস্থান বজায় রাখবে।
নির্বাচনের সঙ্গে ভোটারদের কাছে ২০১৭ সালের সামরিক সমর্থিত সংবিধান পরিবর্তনের মতামতও চাওয়া হয়েছিল। প্রাথমিক গণনায় প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ ভোটার নতুন সংবিধানের পক্ষে ভোট দিয়েছেন। থাইল্যান্ডে ১৯৩২ সালের রাজতন্ত্র অবসানের পর ২০টি সংবিধান প্রণীত হয়েছে, যার অধিকাংশই সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে। নতুন সংবিধান প্রণয়ের জন্য পার্লামেন্ট অনুমোদনের সঙ্গে আরও দুটি গণভোট প্রয়োজন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষক নাপন জাতুশ্রীপিতাক মনে করেন, নির্বাচনে বিজয়ী দলের ওপর নির্ভর করবে থাইল্যান্ড সামরিক জান্তার তৈরি সংবিধান থেকে বের হতে পারবে কি না।
| আজকের তারিখঃ বঙ্গাব্দ