ভিডিও
স্টোরি
ফটো স্টোরি
বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই ঘোষণার ফলে ২০২১ সালের সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকে বন্দি থাকা অং সান সু চির কারাদণ্ড আরও কমবে। তবে সাজার মেয়াদ ঠিক কতদিন কমছে বা বর্তমানে তার সাজার পরিমাণ কত বছর, সে বিষয়ে এখনো স্পষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। সু চির দল ন্যাশনাল লীগ ফর ডেমোক্রেসি (এনএলডি)-এর এক জ্যেষ্ঠ সদস্য জানিয়েছেন, সাজার মেয়াদ কমলেও তার অবশিষ্ট কারাবাসের সময়কাল সম্পর্কে তারা এখনো অন্ধকারে রয়েছেন।
মানবাধিকার গোষ্ঠীগুলোর মতে, সু চিকে রাজনীতি থেকে দূরে সরিয়ে রাখতেই তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও কোভিড-১৯ বিধি লঙ্ঘনের মতো সাজানো অভিযোগ আনা হয়েছিল। পাঁচ বছর আগে নির্বাচিত সরকারকে উৎখাতের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসা মিন অং হ্লাইং চলতি মাসে সীমিত পরিসরে নির্বাচনের পর প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেন। পর্যবেক্ষকরা একে সামরিক শাসনের নতুন রূপ এবং সরকারের ভাবমূর্তি রক্ষার প্রচেষ্টা হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
প্রেসিডেন্ট কার্যালয়ের বিবৃতিতে জানানো হয়, বৃহস্পতিবারের সরকারি ছুটি উপলক্ষে বন্দিদের ‘অবশিষ্ট সাজা এক-ষষ্ঠাংশ কমানো হবে।’ ৮০ বছর বয়সী সু চি শুরুতে তিন দশকের বেশি কারাদণ্ডে দণ্ডিত হলেও ২০২৩ সালে কিছু অভিযোগে ক্ষমা পাওয়ার পর তার সাজা কমে ২৭ বছরে দাঁড়িয়েছিল। মিয়ানমারের অস্বচ্ছ বিচার ব্যবস্থার কারণে তার বর্তমান সাজার মেয়াদ নিয়ে এখনো অনিশ্চয়তা বজায় রয়েছে।
আই.এ/সকালবেলা
| আজকের তারিখঃ বঙ্গাব্দ