নবীনগরে ৩০ কেজি চালে কম দেওয়া হচ্ছে ৩ কেজি!

নবীনগরে ৩০ কেজি চালে কম দেওয়া হচ্ছে ৩ কেজি!

সামজাদ জসি, সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলায় সরকারি খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় ন্যায্যমূল্যের (ওএমএস) চাল বিক্রিতে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। 

উপজেলার রসুল্লাবাদ ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের পাল বাজার রোডের ডিলার আলাউদ্দিনের কেন্দ্রে ৩০ কেজি চালের বস্তায় ২ থেকে ৩ কেজি পর্যন্ত চাল কম দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া নির্ধারিত ৪৫০ টাকার পরিবর্তে গ্রাহকদের কাছ থেকে ৪৭০ টাকা করে আদায় করা হচ্ছে বলে ভুক্তভোগীরা জানিয়েছেন। সাংবাদিকের উপস্থিতি টের পেয়ে ডিলার সংশ্লিষ্টরা ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে ও বিষয়টিকে ম্যানেজ করতে তৎপর হয়ে ওঠেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক নারী সুবিধাভোগী জানান, চাল কম দেওয়ার প্রতিবাদ করলে কার্ড কেটে দেওয়ার হুমকি দেয় ডিলারের লোকজন। ডিলার আলাউদ্দিন রাসেল স্থানীয় প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতা হওয়ায় সাধারণ মানুষ মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছেন না। এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে সংশ্লিষ্ট খাদ্য কর্মকর্তা ও ট্যাগ অফিসারের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁদের পাওয়া যায়নি।

তবে রসুল্লাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান খন্দকার মনির হোসেন বলেন, অসহায় ও দুস্থ মানুষদের জন্য বরাদ্দকৃত ন্যায্যমূল্যের চালে কম দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। যদি কেউ এমনটি করে থাকেন, তবে তিনি অন্যায় করেছেন। এ বিষয়ে নবীনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মাহবুব হাসান জানান, চাল কম দেওয়ার বিষয়টি গুরুত্বের সাথে দেখা হচ্ছে এবং তিনি খাদ্য কর্মকর্তার সাথে কথা বলে দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

মন্তব্য করুন