ভিডিও
স্টোরি
ফটো স্টোরি
রেজাউল করিম মজুমদার, গাজীপুর: গাজীপুরের শিল্পাঞ্চল ছেড়ে সাধারণ মানুষের গ্রামমুখী যাত্রা শুরু হলেও যারা এখনও কর্মস্থলে রয়েছেন, তাদের উপস্থিতিতে শপিংমল ও মার্কেটগুলোতে তিল ধারণের জায়গা নেই।
গতকাল শবে কদরের রাতের রেশ ধরে আজ মঙ্গলবার দুপুর থেকেই জয়দেবপুর, চৌরাস্তা ও টঙ্গীর মার্কেটগুলোতে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। অনেকের জন্যই আজ গাজীপুরে কেনাকাটার শেষ সুযোগ, কারণ অধিকাংশ মানুষ কাল থেকেই গ্রামের উদ্দেশ্যে রওনা হবেন।
বেসরকারি চাকরিজীবী লিমা সুলতানা জানান, বড় শপিংমলগুলোতে ফিক্সড প্রাইস হওয়ায় দরদামের ঝামেলা নেই, তবে ভিড় এতই বেশি যে ঘুরে দেখার সময় পাওয়া যাচ্ছে না। প্রিয়ঙ্কা নামের এক ক্রেতা বলেন, আজ অফিস বন্ধ হয়েছে, তাই শেষ সময়ের টুকটাক কেনাকাটা সারতে এসেছি।
তীব্র গরমের আশঙ্কায় এবার ঈদের পোশাকে সুতি ও আরামদায়ক সিল্ক থ্রি-পিসের ব্যাপক চাহিদা দেখা গেছে। বাজারে দেশি কটন ও লন থ্রি-পিস ১ হাজার ২০০ থেকে ৪ হাজার টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। তবে সাশ্রয়ী ক্রেতাদের জন্য কটন ওয়ার্ল্ডে ৩টি সুতি থ্রি-পিস মিলছে মাত্র ১ হাজার ২০০ টাকায়। আভিজাত্যের প্রতীক শাড়ি ১ হাজার ৫০০ থেকে ১০ হাজার টাকা এবং পুরুষদের পাঞ্জাবি ১ হাজার থেকে ৩ হাজার ৫০০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। তবে বাচ্চাদের পোশাকের দাম নিয়ে ক্রেতাদের কিছুটা ক্ষোভ রয়েছে।
অভিভাবকদের মতে, কাপড় ও খরচ কম লাগলেও শিশুদের পোশাকের দাম অনেক ক্ষেত্রে বড়দের সমান রাখা হচ্ছে।
শুধু পোশাকই নয়, এবার ঘর সাজানোর সামগ্রী ও তৈজসপত্রের দোকানেও উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। বেডশিট, পর্দার কাপড় এবং রান্নাঘরের নতুন জিনিসের চাহিদা গতবারের তুলনায় অনেক বেড়েছে।
তৈজসপত্র বিক্রেতা ইলিয়াস বলেন, আগে মানুষ শুধু কাপড় কিনত, এখন নিজের ঘর বা গ্রামের বাড়ির জন্য শৌখিন জিনিসপত্রের চাহিদাও অনেক। সালনা, মৌচাক ও চন্দ্রার ব্যবসায়ীরা জানান, এবারের ঈদ বাজারে বেচাকেনা প্রত্যাশার চেয়েও ভালো হয়েছে। জনসমাগম বেশি থাকলেও এখন পর্যন্ত বড় কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা বা দুর্ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। ব্যবসায়ীদের ধারণা, আজ রাতের পর থেকে ভিড় কিছুটা কমবে, কারণ গাজীপুর তখন অনেকটাই ফাঁকা হয়ে যাবে।
| আজকের তারিখঃ বঙ্গাব্দ