দেবীগঞ্জে বিএনপি প্রার্থীর বিরুদ্ধে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ

দেবীগঞ্জে বিএনপি প্রার্থীর বিরুদ্ধে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ

দেবীগঞ্জ (পঞ্চগড়) প্রতিনিধি: পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে পঞ্চগড়-২ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ফরহাদ হোসেন আজাদের বিরুদ্ধে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে। রবিবার (২৫ জানুয়ারি) পঞ্চগড়-২ আসনের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও দেবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন দেবীগঞ্জ উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচন পরিচালনা কমিটির পরিচালক মুহাম্মদ বেলাল হোসেন।

লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০২৫’ এর বিধি ১৪ অনুযায়ী প্রতিটি ইউনিয়ন বা পৌরসভায় সর্বোচ্চ একটি করে বিলবোর্ড স্থাপনের অনুমতি থাকলেও ফরহাদ হোসেন আজাদ দেবীগঞ্জ পৌর এলাকায় তিনটি রঙিন বিলবোর্ড স্থাপন করেছেন। এসব বিলবোর্ড দেবীগঞ্জ পৌরসভার চৌরাস্তা, এলএসডি মোড় এবং করতোয়া সেতুর পশ্চিম প্রান্তে বসানো হয়েছে।

অভিযোগে আরও বলা হয়, আচরণবিধির বিধি ৭ অনুযায়ী দেয়াল, গাছ, দালান এবং বিদ্যুৎ বা টেলিফোনের খুঁটিতে ব্যানার ও ফেস্টুন লাগানো নিষিদ্ধ থাকলেও উপজেলার বিভিন্ন স্থানে বিদ্যুতের খুঁটি ও সোনালী ব্যাংকের দেয়ালে পোস্টার ও ফেস্টুন লাগানো হয়েছে। এছাড়া নির্বাচনী বিধিমালা অনুযায়ী পোস্টার ব্যবহার নিষিদ্ধ থাকলেও বিএনপি প্রার্থী পোস্টারের আদলে ডিজাইন করে দুটি পোস্টার একত্রে কাপড়ে প্রিন্ট করে প্রচারণা চালাচ্ছেন, যা আইন এড়ানোর অপকৌশল হিসেবে দাবি করা হয়েছে।

অভিযোগকারী মুহাম্মদ বেলাল হোসেন বলেন, “বিএনপি প্রার্থী প্রচারণায় সুস্পষ্টভাবে আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছেন। একটি পৌরসভায় একটির জায়গায় তিনটি বিলবোর্ড স্থাপন করা হয়েছে এবং সেখানে মুদ্রণ সংখ্যাও বিধিবহির্ভূতভাবে উল্লেখ আছে।”

এ বিষয়ে ফরহাদ হোসেন আজাদের নির্বাচনী এজেন্ট ও দেবীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হোসেন মোঃ তোবারক হ্যাপী বলেন, “সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে আমাদের এখনো আনুষ্ঠানিক কিছু জানানো হয়নি। তবে অনিচ্ছাকৃত কোনো ত্রুটি হয়ে থাকলে ভবিষ্যতে আমরা সচেতন থাকব যেন এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি না হয়।”

পঞ্চগড়-২ আসনের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও দেবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মাহমুদুল হাসান অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, অভিযোগটি যথাযথ প্রক্রিয়ায় ‘ইলেকশন ইনকোয়ারি কমিটি’র (নির্বাচন অনুসন্ধান কমিটি) নিকট পাঠানো হবে।

এম.এম/সকালবেলা

মন্তব্য করুন