ভিডিও
স্টোরি
ফটো স্টোরি
জাহিদ শিকদার, ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলা ছাত্রদলের নবঘোষিত কমিটি নিয়ে নেতাকর্মীদের মাঝে তীব্র অসন্তোষ ও মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, রাজপথের ত্যাগী নেতাদের অবমূল্যায়ন করে সাবেক ছাত্রলীগ কর্মীদের গুরুত্বপূর্ণ পদে বসানো হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) রাতে পটুয়াখালী জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক শামিম চৌধুরী ও সদস্য সচিব জাকারিয়া আহমেদ স্বাক্ষরিত ৩৫ সদস্যের এই নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়। কমিটিতে আব্দুল্লাহ আল ফাহাদকে সভাপতি, শরিতউল্লাহ সৈকতকে সাধারণ সম্পাদক এবং মারজান বিন জাহাঙ্গীরকে সাংগঠনিক সম্পাদক করা হয়েছে।
কমিটি প্রকাশের পরপরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনার ঝড় ওঠে। পদবঞ্চিত ও সাবেক নেতাদের অভিযোগ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মেহেদী মৃধা ও সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক রেদোয়ান বাচ্চু একসময় ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে সরাসরি যুক্ত ছিলেন। দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত কর্মীদের বাদ দিয়ে 'অনুপ্রবেশকারী'দের পদ দেওয়ায় সাধারণ কর্মীদের মধ্যে ক্ষোভের দানা বেঁধেছে।
এদিকে কমিটির শীর্ষ পদে আসা নেতারাও এই প্রক্রিয়া নিয়ে অসন্তুষ্ট। সাংগঠনিক সম্পাদক মারজান বিন জাহাঙ্গীর জানান, তিনি সাধারণ সম্পাদক পদের দাবিদার ছিলেন, কিন্তু তাকে সাংগঠনিক পদে দেওয়ার বিষয়ে কোনো পূর্ব আলোচনা করা হয়নি। একইভাবে সভাপতি পদপ্রত্যাশী শফিকুর রহমান সোহেল আক্ষেপ করে বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে অসংখ্য নির্যাতনের শিকার হয়েও যথাযথ মূল্যায়ন পাননি তিনি।
বাউফল পৌর বিএনপির ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক ইমামুজ্জামান অনিকসহ একাধিক নেতা মনে করছেন, রাজনৈতিক গ্রুপিংয়ের কারণে যোগ্যদের বাদ দেওয়া হয়েছে। জেলা ছাত্রদলের পক্ষ থেকে বিষয়টি নিয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি। স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচনের আগে ছাত্রদলের এই অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও অসন্তোষ বিএনপির স্থানীয় সাংগঠনিক শক্তিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
এম.এম/সকালবেলা
| আজকের তারিখঃ বঙ্গাব্দ