ইউপি চেয়ারম্যান থেকে প্রতিমন্ত্রী: মীর শাহে আলমের নতুন ইতিহাস

ইউপি চেয়ারম্যান থেকে প্রতিমন্ত্রী: মীর শাহে আলমের নতুন ইতিহাস

ওয়াফিক শিপলু: তৃণমূল রাজনীতি থেকে জাতীয় নেতৃত্বের শিখরে—মীর শাহে আলমের দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রামের স্বীকৃতি মিলল মন্ত্রিসভায় স্থান পাওয়ার মধ্য দিয়ে। দীর্ঘ প্রায় ২৫ বছর পর বগুড়া জেলা থেকে কোনো প্রতিনিধি মন্ত্রিপরিষদে অন্তর্ভুক্ত হলেন। মঙ্গলবার বিকেলে জাতীয় সংসদে প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার মাধ্যমে মীর শাহে আলম জেলাটির রাজনৈতিক ইতিহাসে এক নতুন মাইলফলক স্থাপন করলেন। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, শিবগঞ্জ উপজেলা ভিত্তিক বগুড়া-২ আসন থেকে নির্বাচিত এই সংসদ সদস্যকে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে।

মীর শাহে আলমের রাজনৈতিক জীবনের শুরু হয়েছিল একেবারে তৃণমূল পর্যায় থেকে। ১৯৯৭ সালে মাত্র ২৩ বছর বয়সে শিবগঞ্জের আটমূল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে তিনি চমক দেখান। পরবর্তীতে ২০০৯ সালে তিনি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে বৃহত্তর পরিসরে নেতৃত্বের প্রমাণ দেন। সর্বশেষ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী হিসেবে ১ লাখ ৪৫ হাজার ২৪ ভোট পেয়ে তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। বর্তমানে তিনি জেলা বিএনপির সহসভাপতি এবং শিবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। ছাত্ররাজনীতি থেকে শুরু করে ইউনিয়ন ও উপজেলা রাজনীতির প্রতিটি স্তর পার করে আসা এই নেতা আন্দোলন-সংগ্রামে অগ্রণী ভূমিকা পালনের জন্য পরিচিত।

দীর্ঘ আড়াই দশক পর মন্ত্রিসভায় জেলার প্রতিনিধিত্ব ফেরায় উন্নয়নের নতুন সম্ভাবনা দেখছেন স্থানীয়রা। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়নের মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতে তাঁর অভিজ্ঞতা গ্রামীণ অবকাঠামো ও অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে। বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে তাঁর এই অন্তর্ভুক্তি তরুণ রাজনীতিকদের জন্য একটি অনুপ্রেরণাদায়ক দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে বলে মনে করছেন দলীয় নেতাকর্মীরা।

এম.এম/সকালবেলা

মন্তব্য করুন