১ কোটি কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যমাত্রা সরকারের: অর্থমন্ত্রী
অর্থমন্ত্রী জানান, বিগত সরকারের রেখে যাওয়া প্রায় ১ লাখ ২৫ হাজার কোটি টাকার ঋণ পরিশোধ করতে গিয়ে সরকারের ‘ফিসক্যাল স্পেস’ বা আর্থিক সক্ষমতার জায়গাটি বর্তমানে বেশ সংকুচিত হয়ে পড়েছে। এই প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও নির্বাচনী ইশতেহারের প্রতিশ্রুতি পূরণে সরকার বদ্ধপরিকর।
প্রকল্প বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে নতুন পদ্ধতির ঘোষণা দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, “প্রকল্পগুলোর তদারকিতে এখন থেকে ডিজিটাল ড্যাশবোর্ড ব্যবহার করা হবে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে শুরু করে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরে এই ড্যাশবোর্ড থাকবে। প্রকল্পের প্রতিদিনের কার্যক্রম বা মুভমেন্ট সরাসরি পর্যবেক্ষণ করা হবে। কাজের গতি থমকে গেলে বা কোনো গাফিলতি দেখা দিলে ড্যাশবোর্ডে তা ফ্ল্যাশ করবে এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে তাৎক্ষণিক জবাবদিহি করতে হবে।”
অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, এবারের বাজেটের শতভাগ বাস্তবায়ন সম্ভব না হলেও, অন্তত ৮০ শতাংশ সফলভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব হলে দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান তৈরির লক্ষ্য পূরণ করা সম্ভব হবে।
সেমিনারে দেশের বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক আবু আহমেদ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ নূরুল আমিন এবং বিআইজিডি’র নির্বাহী পরিচালক ড. ইমরান মতিনসহ দেশের খ্যাতনামা অর্থনীতিবিদ ও গবেষকগণ প্যানেল আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
জান্নাত সকালবেলা
|