পুতুলগুলো তাদের ছেলেবেলায় ফিরিয়ে নিয়ে গেল
সম্প্রতি সাংবাদিক আবদুর রহমানের আয়োজনে ষাট-সত্তর দশকের জনপ্রিয় কয়েকজন নায়ক-নায়িকাকে নিয়ে এক আড্ডা-অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে উপস্থিত ছিলেন নায়ক উজ্জ্বল, আলমগীর এবং নায়িকা শবনম, সুচন্দা ও ববিতা। দীর্ঘদিনের ব্যবধানে একে অপরের সঙ্গে দেখা হওয়ায় তাদের মাঝে বইছিল স্মৃতির স্রোত। আধুনিক প্রযুক্তির যুগে যোগাযোগ কমলেও, সেই আড্ডায় তারা যেন মুহূর্তেই ফিরে গিয়েছিলেন তাদের সোনালী সময়ে।
এই আড্ডায় আমি তাদের প্রত্যেকের হাতে তুলে দিয়েছিলাম কিছু পুতুল। পুতুল উপহার পেয়ে তারা যে আনন্দিত হয়েছেন, তা ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। হাতি, ঘোড়া কিংবা মিষ্টি কুমড়োর মতো নানা আকৃতির পুতুলগুলো তাদের মুহূর্তেই শৈশবে ফিরিয়ে নিয়ে যায়। তারা এই পুতুলগুলো কেবল নিজেদের আনন্দের জন্যই নয়, বরং পরবর্তী প্রজন্মের হাতে তুলে দেওয়ার আকাঙ্ক্ষাও ব্যক্ত করেছেন।
আমি মনে করি, পুতুল খেলার দিনগুলোই আমাদের জীবনের শ্রেষ্ঠ সময়। সেই ছোটবেলাটা যেমন গদ্যময় ও কাব্যময়, তেমনি বড় হওয়ার স্বপ্ন দিয়ে ঘেরা। আমাদের প্রত্যেকের শৈশবের সেই আনন্দময় স্মৃতিই আজকের এই সুন্দর জীবনের ভিত্তি।
পরিশেষে বলতে চাই, আমরা সবাই ভালো থাকার চেষ্টা করি। আর একে অপরকে ভালো রাখার এই প্রচেষ্টাই আমাদের নিজেদের, সমাজকে এবং সর্বোপরি আমাদের বাংলাদেশকে ভালোবাসতে শেখায়। এই পুতুলগুলো কেবল খেলনা নয়, বরং একটি সুন্দর অনুভূতির প্রতীক, যা আমাদের মনে করিয়ে দেয় আমরা সবাই মানুষ এবং আমরা সবাই ভালো থাকার দাবিদার।
জান্নাত সকালবেলা
|