আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের বিষয়টি আদালতে নির্ধারিত হবে: জাহেদ উর রহমান

প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ০৩:২৮ অপরাহ্ণ
আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের বিষয়টি আদালতে নির্ধারিত হবে: জাহেদ উর রহমান

নিজস্ব প্রতিবেদক: আওয়ামী লীগ দলটা নিষিদ্ধ হবে কি হবে না, তা আদালতের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে (আইসিটি) নির্ধারিত হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। তিনি বলেন, তারা মানবতাবিরোধী অপরাধে যুক্ত ছিল কি না, সেই বিচারের পর এটি চূড়ান্তভাবে নির্ধারিত হবে।

আজ মঙ্গলবার (২৩ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের (পিআইডি) সম্মেলন কক্ষে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে রাজনৈতিক দলগুলোর মাঠে নামা এবং কয়েকটি জেলায় সেনাবাহিনী মোতায়েনের বিষয়ে উপদেষ্টা বলেন, টেকনিক্যালি আওয়ামী লীগের বিষয়টি স্পষ্ট করা দরকার। এটি আদালতে বিচারাধীন থাকা পর্যন্ত ‘সন্ত্রাস দমন আইন, ২০০৯’-এর অধীনে তাদের সব ধরনের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ থাকবে। তাই এই দলটা এখন যেকোনো কর্মসূচি নিয়ে যদি মাঠে নামতে চায়, তবে তারা আইন ভঙ্গ করছে এবং সরকার সেখানে আইনি ব্যবস্থা নেবে এটাই স্বাভাবিক। রাজনৈতিক দলগুলো হয়তো সিম্বলিক্যালি (প্রতীকী অর্থে) মাঠে আছে।

সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রসঙ্গে জাহেদ উর রহমান বলেন, এর মানে এই না যে তারা (আওয়ামী লীগ) অনেক কিছু করে ফেলতে পারে। আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি না আওয়ামী লীগের সেই রকম কোনো নৈতিক সাহস আছে। কিছু করতে হলে অন্তত একটা নৈতিক সাহস লাগে।

তিনি আরও মন্তব্য করেন, "আওয়ামী লীগের বড় গলা হতে হলে আমাদের সবার স্মৃতিশক্তি শেষ হয়ে যেতে হবে বা ডিমেনশিয়া হতে হবে। এর আগে আওয়ামী লীগ আমাদের সামনে বড় গলা করে কথা বলতে পারবে বলে আমার মনে হয় না। কিছু লুটপাটকারী, মাফিয়া ও চোর-বাটপারের আসলে খুব বেশি নৈতিক সাহস থাকে না।"

বিগত জুলাই বিপ্লবের স্মৃতি চারণ করে উপদেষ্টা বলেন, "জুলাইয়ে বন্দুকের সামনে মানুষ দাঁড়াতে পেরেছিল, কারণ তাদের নৈতিক সাহস ছিল। তারা ধান্দাবাজ ছিল না, দেশকে ভালোবেসেছিল। এত গুলি ও মৃত্যুর পরও মানুষ পরের দিন আবার গিয়ে রাজপথে দাঁড়িয়েছে। তাই তাদের (আওয়ামী লীগ) দিয়ে আসলে তেমন কিছু হওয়ার কোনো কারণ নেই।"

মন্তব্য করুন