দই বিফ রান্নার সহজ রেসিপি

প্রকাশ: সোমবার, ১৮ মে ২০২৬, ১২:৫৯ অপরাহ্ণ
দই বিফ রান্নার সহজ রেসিপি
লাইফস্টাইল ডেস্ক: গরুর মাংসের যেকোনো পদই ভোজনরসিকদের কাছে অত্যন্ত সুস্বাদু ও আকর্ষণীয়। যেকোনো উৎসবের আমেজে বা অতিথি আপ্যায়নে টেবিলের শোভা বাড়ায় গরুর মাংসের নানা পদ। গরুর মাংস ভুনা কিংবা আলু দিয়ে গরুর মাংসের ঐতিহ্যবাহী ঝোল তো ঘরে ঘরে সবসময়ই রান্না করা হয়। তবে স্বাদে একটু ভিন্নতা আনতে কখনো কি ‘দই বিফ’ রান্না করেছেন? অনন্য স্বাদের এই রাজকীয় পদটি সাদা ভাত, রুটি, পরোটা, খিচুড়ি কিংবা পোলাওয়ের সঙ্গে দারুণ জমে ওঠে। চলুন জেনে নেওয়া যাক দই বিফ রান্নার সবচেয়ে সহজ রেসিপিটি

প্রয়োজনীয় উপকরণ হাড় ছাড়া গরুর মাংস আধা কেজি ফেটানো টক দই আধা কাপ ভোজ্য তেল পরিমাণমতো আদা-রসুন বাটা ১ টেবিল চামচ পেঁয়াজ ২টি রেডিমেড মাংসের মসলা ২ চা চামচ দারুচিনি ও এলাচ কয়েকটি কাজুবাদাম ও কাঠবাদাম ৭-৮টি লবণ স্বাদমতো

প্রথমে গরুর মাংস ভালো করে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিন। এরপর একটি পাত্রে মাংসের সঙ্গে মেরিনেশনের সব মসলা (আদা-রসুন বাটা, মাংসের মসলা, লবণ) এবং মোট টক দইয়ের অর্ধেকটুকু (চারভাগের এক কাপ) খুব ভালো করে মাখিয়ে নিন। এভাবে মাংসটিকে অন্তত আধা ঘণ্টার জন্য মেরিনেট করে রেখে দিন।

রান্নার পেঁয়াজ দুটিকে প্রথমে সামান্য ভেজে নিন। এবার সেই ভাজা পেঁয়াজের সঙ্গে আদা, রসুন এবং কাজু ও কাঠবাদাম একসঙ্গে সামান্য পানি দিয়ে ব্লেন্ডারে বা শিলপাটায় মিহি করে একটি পেস্ট তৈরি করে আলাদা রাখুন।

বার রান্নার হাঁড়িতে পরিমাণমতো তেল গরম করুন। তেল গরম হলে তাতে আস্ত দারুচিনি ও এলাচ ফোড়ন দিয়ে দিন। মসলার সুগন্ধ বের হলে মেরিনেট করে রাখা মাংস হাঁড়িতে ঢেলে দিয়ে ৫ থেকে ৮ মিনিট মাঝারি আঁচে ভালো করে কষিয়ে নিন। মাংসের রঙ কিছুটা বদলে এলে আগে থেকে তৈরি করে রাখা বাদাম ও পেঁয়াজের বিশেষ পেস্টটি দিয়ে আরও কিছুক্ষণ কষাতে থাকুন।

মাংস ভালোভাবে কষানো হয়ে গেলে এতে দেড় কাপ গরম পানি দিয়ে দিন। এবার হাঁড়িটি ঢেকে দিয়ে মাঝারি আঁচে মাংস পুরোপুরি নরম ও সেদ্ধ হওয়া পর্যন্ত রান্না করুন। মাংস সেদ্ধ হয়ে যখন ঝোল ঘন হয়ে আসবে এবং ওপর দিয়ে তেল ভেসে উঠবে, তখন বাকি থাকা টক দইটুকু ওপর থেকে ভালো করে মিশিয়ে দিন। এরপর একদম অল্প আঁচে আরও ২-৩ মিনিট দমে রেখে নামিয়ে নিন।

ব্যস, তৈরি হয়ে গেল রেস্তোরাঁ স্বাদের সুস্বাদু ও জিভে জল আনা ‘দই বিফ’। এবার গরম-গরম পোলাও কিংবা পরোটার সঙ্গে পরিবেশন করুন।

জান্নাত/সকালবেলা



মন্তব্য করুন