প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় ফুলকপি রাখবেন কেন

প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:২০ অপরাহ্ণ
প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় ফুলকপি রাখবেন কেন

অনলাইন ডেস্ক: বাঙালির শীতকালীন রান্নার অন্যতম প্রধান আকর্ষণ হলো ফুলকপি। ফুলকপি দিয়ে রকমারি সুস্বাদু পদ তৈরি করা হলেও এর পুষ্টিগুণ সম্পর্কে অনেকেই হয়তো সম্পূর্ণ ওয়াকিবহাল নন। পুষ্টিবিদদের মতে, প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় ফুলকপি রাখলে শরীর পেতে পারে প্রয়োজনীয় ভিটামিন, খনিজ ও খাদ্য আঁশ।

ফুলকপিতে রয়েছে পর্যাপ্ত পরিমাণে খাদ্য আঁশ বা ফাইবার। এর বড় একটি অংশ অদ্রবণীয়, যা মলের পরিমাণ বাড়িয়ে স্বাভাবিক মলত্যাগে সহায়তা করে। পাশাপাশি, ফুলকপিতে চর্বি ও কার্বোহাইড্রেটের পরিমাণ বেশ কম থাকায় এটি ওজন নিয়ন্ত্রণের খাদ্যতালিকায় অনায়াসেই রাখা যায়। তবে ওজন কমাতে ক্যালরির হিসাব ও রান্নার পদ্ধতিও গুরুত্বপূর্ণ।

সাধারণত ফুলকপি রান্নার সময় এর পাতা ও ডাঁটা ফেলে দেওয়ার প্রবণতা দেখা যায়। অথচ এই অংশগুলোও পুষ্টিতে ভরপুর ও খাওয়ার উপযোগী। ফুলকপির কুচানো পাতা স্যুপে কিংবা ছোট টুকরো করে ডাঁটা ফুলের অংশের সঙ্গে রান্না করা সম্ভব। এছাড়া গাজরের খোসা ও ব্রকলির ডাঁটার সঙ্গে মিশিয়ে ঘরেই তৈরি করা যায় সুস্বাদু সবজির স্টক, যা খাবারের অপচয় রোখার পাশাপাশি পুষ্টির জোগান বাড়ায়।

ফুলকপিতে রয়েছে ভিটামিন সি, ভিটামিন কে, ফোলেট, ভিটামিন বি৬ এবং প্যান্টোথেনিক অ্যাসিড (ভিটামিন বি৫)। এছাড়াও এতে পটাশিয়াম ও ম্যাগনেশিয়ামের মতো জরুরি খনিজ উপাদান রয়েছে। ভিটামিন সি: রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়াতে এবং কোলাজেন তৈরিতে সাহায্য করে, যা ত্বকসহ শরীরের টিস্যুর গঠন বজায় রাখে। ভিটামিন কে: রক্ত জমাট বাঁধার স্বাভাবিক প্রক্রিয়া এবং হাড়ের স্বাস্থ্য রক্ষায় ভূমিকা রাখে। ভিটামিন বি৬ ও বি৫: স্নায়ুতন্ত্রের স্বাভাবিক কার্যক্রম সচল রাখতে এবং খাবার থেকে পুষ্টি শক্তি রূপান্তর করতে সাহায্য করে।

সুষম খাদ্যাভ্যাসের অংশ হিসেবে দুপুরের কিংবা রাতের মেনুতে ফুলকপি রাখলে খাবারে যেমন বৈচিত্র্য আসে, তেমনই শরীর পায় সুস্থতার নানা উপাদান।

সকালবেলা / নুসরাত