খুতবা শেষে আরাফার ময়দানে জোহর ও আসরের নামাজ পড়লেন হাজিরা
অনলাইন ডেস্ক: পবিত্র হজের খুতবা শেষে আরাফার ময়দানে জোহর ও আসরের নামাজ আদায় করেছেন হাজিরা। মঙ্গলবার (২৬ মে) বাংলাদেশ সময় বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে তারা এই দুই ওয়াক্তের নামাজ একসঙ্গে আদায় করেন। এর আগে এদিন ৩টা ২০ মিনিটের দিকে হজের খুতবা শুরু হয়।
আরাফা ময়দানের নামিরাহ মসজিদ থেকে হজের খুতবা পাঠ করেন শায়খ আলী বিন আবদুর রহমান আল-হুদাইফি। চলতি বছরও বাংলাসহ বিশ্বের ৫০টি ভাষায় পবিত্র হজের খুতবার অনুবাদ সরাসরি সম্প্রচার করা হয়। এ নিয়ে টানা সপ্তম বারের মতো বাংলা ভাষায় হজের খুতবার লাইভ অনুবাদ সম্প্রচার হলো। এ বছর খুতবার বাংলা অনুবাদ কার্যক্রমে যুক্ত ছিলেন ড. মুহাম্মদ খলীলুর রহমান, ড. আ ফ ম ওয়াহিদুর রহমান, মুবিনুর রহমান ফারুক ও নাজমুস সাকিব। তারা সবাই মক্কার উম্মুল কুরা ইউনিভার্সিটির সাবেক শিক্ষার্থী।
আরবি বর্ষপঞ্জি অনুসারে সৌদিতে আজ ৯ জিলহজ, যা পবিত্র ‘আরাফা দিবস’ হিসেবে পরিচিত। ঐতিহাসিক এই ময়দানে দিনব্যাপী ইবাদত-বন্দেগি আর চোখের পানিতে আল্লাহর দরবারে ক্ষমা প্রার্থনায় মশগুল রয়েছেন হাজিরা। এদিন সকাল থেকেই তাদের কণ্ঠে উচ্চস্বরে উচ্চারিত হচ্ছে তালবিয়া— ‘লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক, লাব্বাইক লা শারিকা লাকা লাব্বাইক’।
সাদা দুই টুকরা ইহরামের কাপড়ে শরীর ঢেকে হজযাত্রীরা মঙ্গলবার মিনায় ফজরের নামাজ আদায়ের পর থেকেই পবিত্র আরাফার ময়দানের উদ্দেশে রওনা করেন। এই ময়দানেই মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) তার ঐতিহাসিক বিদায় হজের ভাষণ দিয়েছিলেন।
আজ সৌদির স্থানীয় সময় সূর্যাস্তের পর হাজিরা তাদের পরবর্তী গন্তব্য মুজদালিফার উদ্দেশে যাত্রা করবেন এবং সেখানে খোলা আকাশের নিচে রাতযাপন করবেন। আগামীকাল বুধবার (১০ জিলহজ) পশু কুরবানির মধ্য দিয়ে হজের মূল আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হবে এবং একই সঙ্গে শুরু হবে পবিত্র ঈদুল আজহা। এরপর হাজিরা কাবা শরিফে বিদায়ী তাওয়াফ সম্পন্ন করে যার যার দেশে ফিরতে শুরু করবেন।