আন্তর্জাতিক ডেস্ক: সামরিক অভিযানের জন্য নিজেদের আকাশপথ ব্যবহারের অনুমতি দেওয়ার খবরটি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে সৌদি আরব। মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকা, ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে শুক্রবার (৮ মে) রিয়াদ এই ঘোষণা দেয়।
সৌদি আরবের একটি উচ্চপদস্থ সূত্র প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম ‘আল-আরাবিয়া’-কে জানিয়েছে যে, রিয়াদ বর্তমানে ওই অঞ্চলে উত্তেজনা প্রশমনে কাজ করছে। একইসঙ্গে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে যুদ্ধাবস্থা নিরসনে পাকিস্তানের মধ্যস্থতা ও কূটনৈতিক প্রচেষ্টাকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছে সৌদি আরব।
সূত্রটি আরও স্পষ্ট করে বলেছে, “সৌদি আরব তার আকাশপথ কোনো আগ্রাসী সামরিক অভিযানের সমর্থনের জন্য ব্যবহারের অনুমতি দেয়নি। কিছু পক্ষ উদ্দেশ্যমূলকভাবে সৌদি আরবের অবস্থান নিয়ে ভুল তথ্য ছড়ানোর চেষ্টা করছে।” মূলত ‘ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল’-এ প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনের জবাবে এই বিবৃতি দেওয়া হয়, যেখানে দাবি করা হয়েছিল যে— হরমুজ প্রণালী পুনরায় উন্মুক্ত করার মার্কিন অভিযানে রিয়াদ ও কুয়েত তাদের আকাশপথ এবং সামরিক ঘাঁটি ব্যবহারের নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ট্রাম্প প্রশাসন হরমুজ প্রণালী অতিক্রমকারী বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে মার্কিন নৌ ও বিমান বাহিনীর প্রহরায় (এসকর্ট অপারেশন) পার করার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান ও মার্কিন-ইসরায়েল সংঘর্ষের পর ইরান এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথটি বন্ধ করে দেয়। গত ৮ এপ্রিল পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় একটি সাময়িক যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলেও স্থায়ী কোনো চুক্তি এখনও সম্পন্ন হয়নি। বর্তমানে ওয়াশিংটন ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ নামে একটি উদ্যোগের মাধ্যমে হরমুজ প্রণালীতে নৌ-চলাচলের স্বাধীনতা পুনরুদ্ধারের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
সূত্র: টিআরটি উর্দু।
এ.আই.এল/সকালবেলা