সাজেকে ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত ১৯ পরিবারের মাঝে উপজেলা প্রশাসনের ত্রাণ বিতরণ

সাজেকে ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত ১৯ পরিবারের মাঝে উপজেলা প্রশাসনের ত্রাণ বিতরণ

রুপম চাকমা, দিঘীনালা (খাগড়াছড়ি) প্রতিনিধি: রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার দুর্গম সীমান্তবর্তী সাজেক ইউনিয়নে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত ১৯টি পরিবারের মাঝে ঢেউটিন, চাল ও কম্বল বিতরণ করেছে উপজেলা প্রশাসন। বুধবার (১৮ মার্চ) ভোরে সাজেকের দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার আমেনা মারজানের পক্ষ থেকে এই ত্রাণ সামগ্রী তুলে দেওয়া হয়। ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে এসব সহায়তা বিতরণ করেন ৩৬নং সাজেক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অতুলাল চাকমা এবং সাজেক ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের সদস্য মন্তু বিকাশ ত্রিপুরা।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি আকস্মিক ঘূর্ণিঝড়ে সাজেক ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় ১৯টি পরিবারের ঘরবাড়ি ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ক্ষতিগ্রস্ত এই পরিবারগুলোর পুনর্বাসনের লক্ষ্যে প্রতিটি পরিবারকে ঘর মেরামতের জন্য প্রয়োজনীয় ঢেউটিন, জরুরি খাদ্য সহায়তা হিসেবে চাল এবং শীত নিবারণের জন্য কম্বল প্রদান করা হয়েছে। দুর্গম সীমান্ত এলাকায় দুর্যোগ পরবর্তী এই দ্রুত সহায়তা পৌঁছে দেওয়ায় স্থানীয়দের মাঝে স্বস্তি ফিরেছে।

ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানে সাজেক ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের মেম্বার মন্তু বিকাশ ত্রিপুরা বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও আকস্মিক অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়ানো জন প্রতিনিধি হিসেবে আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ঘটনার পরপরই আমি উপজেলা প্রশাসনকে বিষয়টি অবগত করলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আমেনা মারজান তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেন এবং নিয়মিত ক্ষতিগ্রস্তদের খোঁজখবর রাখেন। তাঁর নির্দেশনায় আজ দুর্গম এলাকায় এই সহায়তা পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হয়েছে।

এদিকে ত্রাণ সামগ্রী পেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দারা প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। স্থানীয়রা জানান, দুর্যোগকালীন সময়ে জনপ্রতিনিধিদের এমন সক্রিয় ও মানবিক ভূমিকা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। বিশেষ করে ৮নং ওয়ার্ডের মেম্বার মন্তু বিকাশ ত্রিপুরার দায়িত্বশীল ভূমিকার কারণে দ্রুত সরকারি সহায়তা পাওয়ায় তারা ভবিষ্যতে আবারও তাঁকে জনপ্রতিনিধি হিসেবে পাওয়ার আশা ব্যক্ত করেন। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো ভবিষ্যতেও যেকোনো সংকটে এমন সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে প্রত্যাশা করেছেন।

রুপম চাকমা/সকালবেলা

মন্তব্য করুন