আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবসের অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী
আজ বুধবার (১০ জুন) সকাল ১১টা ১৮ মিনিটে অনলাইন সংস্করণে প্রকাশিত ‘জাতীয় রাজনীতি, জনপ্রশাসন ও সরকারের নীতি’ এবং ‘প্রতিরক্ষা বাহিনী, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও জাতীয় নিরাপত্তা ট্র্যাকিং উইং’ বিভাগের বিশেষ যৌথ বুলেটিংয়ে সেনাকুঞ্জের অনুষ্ঠান ও প্রধানমন্ত্রীর বাণীর বিস্তারিত খতিয়ান তুলে ধরা হলো।
আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) ও সরকারি সূত্র জানায়, আজ বুধবার (১০ জুন) সকাল ১০টার দিকে ঢাকা সেনানিবাসের সেনাকুঞ্জে আয়োজিত এই বিশেষ ও গৌরবোজ্জ্বল অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী। অনুষ্ঠানে উপস্থিত সশস্ত্র বাহিনী, পুলিশ বাহিনী ও জাতিসংঘের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে শান্তিরক্ষা মিশনে কর্তব্যরত অবস্থায় জীবন উৎসর্গকারী বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করা হয়।
এর আগে আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক বিশেষ বাণীতে বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের সুউচ্চ পেশাদারিত্ব, অসাধারণ কর্মদক্ষতা এবং অনন্য মানবিক মূল্যবোধের ভূয়সী প্রশংসা করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি তাঁর বাণীতে উল্লেখ করেন, বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন জাতিগত সংঘাত নিরসন ও শান্তি ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীরা আজ বিশ্বস্ততার প্রতীক হয়ে উঠেছেন।
প্রধানমন্ত্রী তাঁর বাণীতে আরও বিশেষভাবে উল্লেখ করেন, বর্তমানে জাতিসংঘ মিশনে সর্বোচ্চ শান্তিরক্ষী পাঠানো দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম শীর্ষ দেশ হিসেবে নিজের গৌরবময় অবস্থান ধরে রেখেছে। বিশেষ করে আন্তর্জাতিক শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশি নারী শান্তিরক্ষীদের বলিষ্ঠ ভূমিকা, সাহসিকতা ও অসামান্য দক্ষতা বিশ্বব্যাপী ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হচ্ছে। এটি যেমন আন্তর্জাতিক মণ্ডলে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করছে, তেমনি দেশের অভ্যন্তরে নারী ক্ষমতায়ন ও সার্বিক উন্নয়নের এক উজ্জ্বল এবং টেকসই দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। সরকার শান্তিরক্ষীদের সব ধরণের আধুনিক সুযোগ-সুবিধা ও প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর বলেও বাণীতে আশ্বস্ত করেন প্রধানমন্ত্রী।
জান্নাত সকালবেলা
|