দেশের স্বার্থ রক্ষার চেষ্টা করেছি: সংসদে প্রধানমন্ত্রী
অনলাইন ডেস্ক: মালয়েশিয়া ও চীন সফরের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, “আমি আমার অবস্থান থেকে চেষ্টা করেছি দেশের মানুষের স্বার্থ নিয়ে কথা বলার এবং সেই স্বার্থ রক্ষা করার চেষ্টা করেছি। এখানে আমাদের কারোরই কোনো ব্যক্তিগত বিষয় নেই। ভালো কোনো কিছু অর্জন হয়ে থাকলে, সেটি মূলত বাংলাদেশের অর্জন।”
আজ শনিবার (২৭ জুন) দুপুরে জাতীয় সংসদ অধিবেশনে বক্তব্য রাখার সময় প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
এর আগে আজ সকালে প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া ও চীন সফরের ‘অভূতপূর্ব সাফল্যের’ জন্য জাতীয় সংসদে একটি ধন্যবাদ প্রস্তাব এনেছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। প্রস্তাবটির সমর্থনে সংসদে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। পরে সংসদ সদস্যদের সর্বসম্মত সম্মতিতে প্রস্তাবটি গৃহীত হয়। তবে ধন্যবাদ প্রস্তাব পাসের ওই বিশেষ মুহূর্তে সংসদ কক্ষে উপস্থিত ছিলেন না সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
পরে বেলা ১টার কিছু আগে প্রধানমন্ত্রী সংসদ কক্ষে প্রবেশ করলে স্পিকার ব্যারিস্টার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ধন্যবাদ প্রস্তাব সর্বসম্মতভাবে গ্রহণের বিষয়টি তাঁকে অবহিত করেন।
এ সময় প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে স্পিকার বলেন, “এই সংসদে সরকার ও বিরোধী দলের পক্ষ থেকে বক্তব্যের মাধ্যমে আপনাকে ধন্যবাদ জানিয়ে একটি প্রস্তাব পাস করা হয়েছে। আপনার সাম্প্রতিক মালয়েশিয়া ও চীন সফরের ফলে আন্তর্জাতিক মহলে দেশের মর্যাদা বৃদ্ধি পেয়েছে বলে সবাই অভিমত ব্যক্ত করেছেন। আপনি বাংলাদেশের অর্থনীতি ও পররাষ্ট্রনীতিতে এক নতুন দিগন্তের সূচনা করেছেন, সে জন্য আপনাকে এই সংসদের পক্ষ থেকে অভিনন্দন জানাচ্ছি।”
স্পিকারের বক্তব্যের পর ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, “বাংলাদেশের মানুষ আমাদেরকে দায়িত্ব দিয়েছে তাদের স্বার্থ দেখার জন্য। আমাদের দলের অবস্থান থেকে আমরা একটি স্লোগান ব্যবহার করি, সেটি হচ্ছে— ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ বা ‘বাংলাদেশ প্রথম’।”
তিনি আরও বলেন, এই সফরের মাধ্যমে যদি দেশের মানুষের কোনো সুফল বা অর্জন হয়ে থাকে, সেটি সম্পূর্ণ দেশের মানুষেরই অর্জন। দেশের জন্য এবং দেশের মানুষের পক্ষে কাজ করার জন্য এভাবে একযোগে উৎসাহ দেওয়ায় বিরোধীদলীয় নেতাসহ সংসদের সকল সদস্যকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী।
|