ডিএনডি এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসনে নাসিকের খাল খনন ও পরিষ্কার অভিযান
শনিবার (১৫ আগস্ট) সকাল থেকে সিদ্ধিরগঞ্জের হীরাঝিল এলাকার ডিএনডি প্রধান নিষ্কাশন খালে শক্তিশালী এসকেভেটর (ভেকু) বসিয়ে পলি ও বর্জ্য অপসারণের কাজ চালানো হয়। একই সাথে খালের পানিপ্রবাহ স্বাভাবিক রাখতে দুই পাশে গড়ে ওঠা নানা ধরনের অবৈধ ও অতিরিক্ত স্থাপনা সরানোর কাজও দ্রুতগতিতে চলছে।
নাসিকের ১ নম্বর ওয়ার্ডের দায়িত্বপ্রাপ্ত সচিব মো. রাকিবুল ইসলাম জানান, নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খানের প্রত্যক্ষ নির্দেশনায় হীরাঝিল অংশের ডিএনডি প্রধান খালটি পরিচ্ছন্ন ও পুনখনন করা হচ্ছে। এই খালটি দিয়ে আশপাশের কয়েকটি ওয়ার্ডের পানি নিষ্কাশিত হয়ে থাকে। দীর্ঘদিন ধরে পলিমাটি ও স্থানীয়দের ফেলা বাসাবাড়ির প্লাস্টিক-বর্জ্য জমে খালের পানিপ্রবাহ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছিল, যার ফলে সামান্য বৃষ্টিতেই বিস্তীর্ণ এলাকায় জলাবদ্ধতার ভোগান্তি দেখা দিত।
তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, খালটি সঠিকভাবে খনন ও আবর্জনা-মুক্ত করা গেলে পানির স্বাভাবিক গতি ফিরবে এবং পুরো এলাকার অধিবাসীদের জলাবদ্ধতাজনিত চরম ভোগান্তি থেকে অনেকটাই মুক্তি মিলবে। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নেই খালের বর্জ্য অপসারণ ও দুই পাশের অবৈধ অংশ উচ্ছেদ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
ডিএনডি খালের রক্ষণাবেক্ষণে নাগরিকদের সহযোগিতার তাগিদ দিয়ে রাকিবুল ইসলাম আরও বলেন, ‘খাল পরিষ্কার রাখার যৌথ দায়বদ্ধতা স্থানীয় অধিবাসীদেরও রয়েছে। খাল খননের পর যাতে কেউ পুনর্বার সেখানে আবর্জনা না ফেলে, সে ব্যাপারে সবাইকে সতর্ক ও সচেতন করা হচ্ছে। নির্দেশ অমান্য করে খালে বর্জ্য ফেললে ভবিষ্যতে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
সিটি করপোরেশন সূত্রে জানা গেছে, ডিএনডি ড্রেনেজ ব্যবস্থার সার্বিক উন্নতি সাধন ও পানিপ্রবাহ স্বাভাবিক রাখার স্বার্থে পর্যায়ক্রমে এলাকার অন্যান্য শাখা খাল ও নিষ্কাশন নালাগুলোতেও অনুরূপ খনন ও পরিষ্কার অভিযান চালানো হবে।
|