দিনাজপুর বোর্ডে ১৮ বিদ্যালয়ের সবাই ফেল: এসএসসির ফল বিপর্যয়

প্রকাশ: সোমবার, ১০ আগস্ট ২০২৬, ১২:১৬ অপরাহ্ণ
দিনাজপুর বোর্ডে ১৮ বিদ্যালয়ের সবাই ফেল: এসএসসির ফল বিপর্যয়
দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডে এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে চরম বিপর্যয়
অনলাইন ডেস্ক ঃ প্রকাশিত ২০২৬ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষায় দিনাজপুর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অধীনে রংপুর বিভাগের ১৮টি বিদ্যালয়ের সব শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছে। এই ১৮টি বিদ্যালয় থেকে চলতি বছর মোট ১২৪ জন শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল, যাদের মধ্যে পাসের মুখ দেখতে পাননি একজনও।আজ সোমবার (১০ আগস্ট, ২০২৬) দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর মো. বোরহান উদ্দিন স্বাক্ষরিত এক সরকারি সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য উন্মোচিত হয়।

প্রকাশিত ফলাফল পর্যালোচনায় দেখা গেছে, রংপুর বিভাগের আটটি জেলার অন্তর্ভুক্ত ১৮টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা পরীক্ষার টেবিলে অংশ নিলেও একজন শিক্ষার্থীও পাস করতে পারেনি।

যেসব স্কুলের সব শিক্ষার্থী ফেল করেছে:

  • রংপুর জেলা: পীরগঞ্জ উপজেলার কুমারপুর উচ্চ বিদ্যালয় (১৮ জন) ও ঘাসিপুর উচ্চ বিদ্যালয় (১৫ জন)।

  • দিনাজপুর জেলা: নবাবগঞ্জ উপজেলার গোলাপগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় (১৯ জন)।

  • গাইবান্ধা জেলা: সাদুল্যাপুর উপজেলার উত্তর দামোদরপুর কাজীপাড়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় (৫ জন) এবং পলাশবাড়ী উপজেলার মনোহারপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় (৩ জন)।

  • নীলফামারী জেলা: ডোমার উপজেলার আমবাড়ী বহুমুখী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় (১০ জন)।

  • কুড়িগ্রাম জেলা: রাজারহাট উপজেলার তালতলা উচ্চ বিদ্যালয় (১২ জন), ব্রাহ্মণপাড়া উচ্চ বিদ্যালয় (৪ জন), সদর উপজেলার পূর্ব কুমারপুর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় (১ জন) এবং ভূরুঙ্গামারী উপজেলার পাথরডুবি আদর্শ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় (৪ জন)।

  • লালমনিরহাট জেলা: কালীগঞ্জ উপজেলার এএম রাথবাড়ী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় (৫ জন)।

  • ঠাকুরগাঁও জেলা: সদর উপজেলার আকচা আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় (৪ জন), অনভারডিঘি উচ্চ বিদ্যালয় (৭ জন), মাধবপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় (৫ জন), তাওরিগাঁ উচ্চ বিদ্যালয় (৫ জন) এবং হরিপুর উপজেলার রামপুর ভাতুরিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় (৩ জন)।

  • পঞ্চগড় জেলা: বোদা উপজেলার বালারামহাট মডেল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় (১ জন) ও বোদা সর্দারপাড়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় (৩ জন)।

উদ্বেগজনক এই ফলাফল প্রকাশের পর স্থানীয় অভিভাবক ও সচেতন মহল এসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষা কার্যক্রমের মান ও শিক্ষক ঘাটতি নিয়ে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছেন। বিষয়টি খতিয়ে দেখতে দ্রুত তদন্তের জোর দাবি জানানো হয়েছে।

মন্তব্য করুন