ভিডিও
স্টোরি
ফটো স্টোরি
সংবিধানে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বহাল করে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করা হয়েছে। রোববার (১৫ মার্চ) সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে ৭৪ পৃষ্ঠার এই রায়টি প্রকাশিত হয়। রায়টি লিখেছেন তৎকালীন প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ। গত ২০ নভেম্বর আপিল বিভাগ এই ঐতিহাসিক রায় প্রদান করেছিলেন।
তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রেক্ষাপট ১৯৯৬ সালে জামায়াতে ইসলামী ও আওয়ামী লীগের দাবির মুখে সংবিধানের ১৩তম সংশোধনীর মাধ্যমে নির্দলীয় ও নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতি প্রবর্তন করা হয়েছিল। ১৯৯৬, ২০০১ ও ২০০৮ সালের সাধারণ নির্বাচন এই পদ্ধতির অধীনে অনুষ্ঠিত হয়। পরবর্তীতে ২০১১ সালে তৎকালীন প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হকের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ এই সংশোধনীকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করে রায় দেন। সেই রায়ের পথ ধরেই পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে সরকার তত্ত্বাবধায়ক প্রথা বিলোপ করে। পরবর্তীতে দীর্ঘ রাজনৈতিক অস্থিরতা, বিতর্কিত নির্বাচন এবং সর্বশেষ ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর এই রায় পুনর্বিবেচনার (রিভিউ) আবেদন করা হয়।
জুলাই সনদে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের নতুন ফরম্যাট অন্তর্বর্তী সরকারের 'জুলাই জাতীয় সনদ'-এর ১৬ ধারায় নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থার নতুন রূপরেখা প্রস্তাব করা হয়েছে। এতে সংসদ ভেঙে যাওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচনের বিধান রাখা হয়েছে। প্রধান উপদেষ্টা নিয়োগের জন্য সংসদের স্পিকারের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের একটি বাছাই কমিটি গঠনের প্রস্তাব করা হয়েছে, যেখানে প্রধানমন্ত্রী, বিরোধীদলীয় নেতা, স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার এবং দ্বিতীয় বৃহত্তম বিরোধী দলের প্রতিনিধি অন্তর্ভুক্ত থাকবেন। কোনো কারণে এই পদ্ধতিতে প্রধান উপদেষ্টা নিয়োগ সম্ভব না হলে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনীর মূল কাঠামো অনুসরণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তবে এই ব্যবস্থা সংবিধানে স্থায়ীভাবে যুক্ত করতে গণভোটের বাধ্যবাধকতা রাখা হয়েছে।
আই.এ/সকালবেলা
| আজকের তারিখঃ বঙ্গাব্দ