আগামী তিন মাসের মধ্যে পেপারলেস হবে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়: উপ-উপাচার্য

প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৫৬ পূর্বাহ্ণ
আগামী তিন মাসের মধ্যে পেপারলেস হবে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়: উপ-উপাচার্য
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়

নিজস্ব প্রতিবেদক: আগামী তিন মাসের মধ্যে দেশের অন্যতম বৃহৎ উচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের যাবতীয় দাপ্তরিক কার্যক্রম সম্পূর্ণ কাগজবিহীন বা ‘পেপারলেস’ করার লক্ষ্যমাত্রা হাতে নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহ। তিনি জানিয়েছেন, পুরোনো নথিগুলো ডিজিটাল আর্কাইভে সংরক্ষণের পাশাপাশি দাপ্তরিক কাজে ‘ডি-নথি’র ব্যবহার আরও ব্যাপকভাবে বাড়ানো হবে।

গতকাল সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬) বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট হলে মানবসম্পদ উন্নয়ন ও শুদ্ধাচার দপ্তরের আয়োজনে ‘জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তাদের কারিগরি ও প্রশাসনিক দক্ষতা বৃদ্ধি’ শীর্ষক এক প্রশিক্ষণ কর্মশালার সমাপনী ও সনদপত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই ঘোষণা দেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহ বলেন, “আধুনিক বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের দাপ্তরিক কার্যক্রমেও প্রযুক্তির ছোঁয়া আনতে হবে এবং এর রূপান্তর ঘটাতে হবে। আমাদের লক্ষ্য আগামী তিন মাসের মধ্যে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়কে একটি সম্পূর্ণ পেপারলেস প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করা। এই প্রক্রিয়ায় যারা ডি-নথির মাস্টার ট্রেনার হিসেবে রয়েছেন, তাদের আরও অধিক সক্রিয়ভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে। একই সঙ্গে সব পুরোনো দাপ্তরিক নথি ডিজিটাল আর্কাইভে স্থানান্তর করা হবে।”

তিনি আরও বলেন, কর্মকর্তাদের পেশাগত দক্ষতা বাড়াতে এ ধরনের নিয়মিত প্রশিক্ষণের বিকল্প নেই। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অর্জিত জ্ঞান ও কারিগরি দক্ষতা যদি দাপ্তরিক কাজে সঠিকভাবে প্রয়োগ করা যায়, তবে কাজের গতি বহুগুণ বৃদ্ধি পাওয়ার পাশাপাশি প্রাতিষ্ঠানিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিও নিশ্চিত হবে।

মানবসম্পদ উন্নয়ন ও শুদ্ধাচার দপ্তরের এই বিশেষ প্রশিক্ষণ কোর্সে সফলভাবে অংশ নেওয়া ১৮৩ জন কর্মকর্তার হাতে সনদপত্র তুলে দেন অতিথিরা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেজ পরিদর্শক (ভারপ্রাপ্ত) নাজিম উদ্দিন আহমেদের চমৎকার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ্ এবং ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মো. নাজমুল হোসেন।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন স্নাতকোত্তর শিক্ষা, গবেষণা ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের ডিন (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. ফকির রফিকুল আলম, স্নাতকপূর্ব শিক্ষা বিষয়ক স্কুলের ডিন (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. মো. আশেক কবির চৌধুরী, রেজিস্ট্রার মোল্লা মাহফুজ আল-হোসেন, মানবসম্পদ উন্নয়ন ও শুদ্ধাচার দপ্তরের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মুহাম্মদ কামাল হাছানসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষক ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

মন্তব্য করুন