ভিডিও
স্টোরি
ফটো স্টোরি
ইসলামী জীবন ডেস্ক: হজ ও উমরার অন্যতম প্রধান অনুষঙ্গ হলো তালবিয়া পাঠ করা। এটি কেবল কিছু শব্দের সমষ্টি নয়, বরং আল্লাহর দরবারে বান্দার উপস্থিতির এক মহান ঘোষণা। হাদিস শরিফে রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর তালবিয়া পাঠের সুনির্দিষ্ট পদ্ধতি বর্ণিত হয়েছে।
হজরত আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে মাথার চুল জমাট করা অবস্থায় তালবিয়া পাঠ করতে শুনেছেন। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসুল (সা.) জুল-হুলাইফায় দুই রাকাত সালাত আদায় করতেন। এরপর তাঁর উষ্ট্রী যখন তাঁকে নিয়ে মসজিদের সামনে দাঁড়াতো, তখন তিনি সশব্দে তালবিয়া পাঠ শুরু করতেন।
রাসুল (সা.)-এর পঠিত তালবিয়া: রাসুলুল্লাহ (সা.) নির্ধারিত এই শব্দগুচ্ছের মাধ্যমে তালবিয়া পাঠ করতেন:
‘লাব্বাইকা আল্লাহুম্মা লাব্বাইক, লাব্বাইকা লা শারিকা লাকা লাব্বাইক, ইন্নাল হামদা ওয়ান নি’মাতা লাকা ওয়াল মুলক, লা শারিকা লাক।’
শিক্ষণীয় ও বিধান:
সশব্দে পাঠ করা: তালবিয়া সশব্দে পাঠ করা সুন্নাহ। এর মাধ্যমে ইবাদতের পরিবেশ সৃষ্টি হয় এবং অন্যরাও উৎসাহিত হয়।
সুনির্দিষ্ট শব্দ: রাসুল (সা.) নির্ধারিত শব্দেই তালবিয়া পাঠ করতেন এবং এর সাথে বাড়তি কিছু যোগ করতেন না। এই শব্দে পাঠ করা সবচেয়ে উত্তম।
সালাত আদায়: তালবিয়া শুরুর আগে দুই রাকাত নফল সালাত আদায় করা সুন্নাহ, যা ইবাদতের মানসিক প্রস্তুতি হিসেবে কাজ করে।
মীকাত থেকে শুরু: ইহরামের নির্ধারিত স্থান (মীকাত) থেকেই হজের আনুষ্ঠানিকতা ও তালবিয়া শুরু করা জরুরি।
হজের প্রতিটি ধাপে রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর সুন্নাহ অনুসরণ করাই মুমিনের প্রধান কর্তব্য। তাঁর প্রতিটি কাজ—কখন, কোথায় এবং কীভাবে করেছেন—তা যথাযথভাবে পালন করাই ইবাদতের পূর্ণতা।
জান্নাত/সকালবেলা
| আজকের তারিখঃ বঙ্গাব্দ