বিনোদন ডেস্ক : বাচনভঙ্গি, চমৎকার উপস্থাপনা এবং ক্ষুরধার বুদ্ধিমত্তার গুণে বর্তমান প্রজন্মের দর্শকদের মাঝে বিপুল সাড়া জাগানো জনপ্রিয় উপস্থাপিকা দীপ্তি চৌধুরী (Deepti Chowdhury) জীবনের এক নতুন ও রাঙা অধ্যায়ে পদার্পণ করেছেন। সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে আনুষ্ঠানিকভাবে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন ছোট পর্দার এই পরিচিত মুখ। আজ শুক্রবার (৫ জুন) শুভ আকদ সম্পন্ন করার মাধ্যমে ঘরোয়া আবহে জীবনের নতুন ইনিংস শুরু করলেন তিনি।
আজ শুক্রবার বিকেল ৫টা ৫ মিনিটে অনলাইন সংস্করণে প্রকাশিত ‘বিনোদন ও রূপালী জগত’ এবং ‘টেলিভিশন মাধ্যম, তারকা জীবনধারা ও সাংস্কৃতিক অঙ্গন পর্যবেক্ষণ উইং’ বিভাগের বিশেষ যৌথ বুলেটিংয়ে দীপ্তি চৌধুরীর আকদ ও বরের পরিচয়সহ বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরা হলো।
পারিবারিক সূত্র ও গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, আজ শুক্রবার দুপুরের পর রাজধানীর বাংলামোটরের একটি অভিজাত রেস্তোরাঁয় দুই পরিবারের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ও সীমিতসংখ্যক সদস্যদের উপস্থিতিতে দীপ্তি চৌধুরীর বিয়ের প্রাথমিক ও ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা (আকদ) সম্পন্ন হয়। অত্যন্ত গোপনীয়তা রক্ষা করে বিয়ের মূল পর্বটি সম্পন্ন করা হলেও, খবরটি প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই বিনোদন অঙ্গনে খুশির আমেজ বিরাজ করছে।
উপস্থাপিকা দীপ্তি চৌধুরীর জীবনসঙ্গী বা বরের নাম মুশতাক ইবনে আইয়ুব (Mushtaq Ibne Ayub)। তিনি শিক্ষাক্ষেত্র ও বৈজ্ঞানিক গবেষণায় আন্তর্জাতিকভাবে অত্যন্ত উচ্চপ্রোফাইল একজন ব্যক্তিত্ব। মুশতাক ইবনে আইয়ুব যুক্তরাজ্যের বিশ্বখ্যাত অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় (University of Oxford) থেকে ক্যানসার চিকিৎসা সংক্রান্ত ‘অনকোলজি’ (Oncology) বিষয়ে অত্যন্ত কৃতিত্বের সাথে পিএইচডি (PhD) ডিগ্রি সম্পন্ন করেছেন। উচ্চশিক্ষা শেষে দেশে ফিরে তিনি শিক্ষকতাকে পেশা হিসেবে বেছে নেন। বর্তমানে তিনি দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (DU) অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ ‘জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি’ বিভাগে অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর (Associate Professor) হিসেবে সুনামের সাথে কর্মরত রয়েছেন।
নিজের জীবনের এই বিশেষ ও আনন্দের খবরটি গণমাধ্যমের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছেন দীপ্তি চৌধুরী নিজেই। অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে নতুন জীবনের শুরুতে উচ্ছ্বসিত দীপ্তি বলেন, “আজকে অত্যন্ত ঘরোয়া পরিবেশে শুধুমাত্র দুই পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে আমাদের আকদ সম্পন্ন হয়েছে। খুব শীঘ্রই বড় পরিসরে এবং ধুমধাম আয়োজনে আমাদের বিবাহোত্তর সংবর্ধনা (Wedding Reception) অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে মিডিয়ার আমার সকল সহকর্মী, শুভাকাঙ্ক্ষী ও বন্ধুদের সশরীরে আমন্ত্রণ জানাব। নতুন পথচলায় আমরা যেন সুখী হতে পারি, সেজন্য সবার কাছে মন থেকে দোয়া কামনা করছি।”
টেলিভিশন টকশো, নানামুখী সামাজিক ও রাজনৈতিক বিতর্ক এবং সমসাময়িক ডিজিটাল কনটেন্ট উপস্থাপনার মাধ্যমে দীপ্তি চৌধুরী দেশের তরুণ সমাজের কাছে একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় নাম। স্বাভাবিকভাবেই তাঁর বিয়ের এই আনন্দ সংবাদটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পরপরই তা মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল হয়ে যায়। ফেসবুক ও অন্যান্য মাধ্যমে সহকর্মী সাংবাদিক, নির্মাতা, লেখক ও সাধারণ দর্শকেরা নবদম্পতির সুন্দর, সুখী ও দীর্ঘ দাম্পত্য জীবনের জন্য আন্তরিক শুভকামনা ও অভিনন্দন জানাচ্ছেন।
জান্নাত সকালবেলা