ভিডিও
স্টোরি
ফটো স্টোরি
পলাশ চন্দ্র বিশ্বাস, জেলা প্রতিনিধি: গোপালগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিকউজ্জামান নিয়োগ পাওয়ার পর থেকে জেলা পরিষদে নাগরিক সেবার মান উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের পরিপত্র অনুযায়ী গত মার্চে যোগদানের পর থেকেই তিনি পরিষদের স্থবিরতা কাটিয়ে জনবান্ধব প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন।
নাগরিক সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ইতোমধ্যে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদী 'অ্যাকশন প্ল্যান' প্রণয়ন করা হয়েছে। অগ্রাধিকার ভিত্তিতে প্রকল্পগুলো শেষ করার জন্য গঠন করা হয়েছে একাধিক কমিটি। বিশেষ করে দীর্ঘদিনের ঝুলে থাকা জনগুরুত্বপূর্ণ কাজগুলোকে প্রাধান্য দিয়ে দ্রুত শেষ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। নতুন প্রশাসকের এই দূরদর্শী নেতৃত্ব ও লড়াকু মানসিকতা ইতোমধ্যে স্থানীয় সুশীল সমাজ ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে।
১৯৮৮ সালের ১২ অক্টোবর গোপালগঞ্জ জেলা পরিষদ প্রতিষ্ঠিত হয়। ২০০০ সালে জেলা পরিষদ আইন অনুযায়ী এটি পুনর্গঠিত হয়। উন্নত বাংলাদেশ বিনির্মাণে সহায়ক ভূমিকা রাখা এবং নিজস্ব ও এডিপি (ADP) তহবিলের মাধ্যমে অবকাঠামোগত উন্নয়নের মাধ্যমে জনগণের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নই এই পরিষদের মূল লক্ষ্য। দীর্ঘদিন উপযুক্ত নেতৃত্বের অভাবে এই ভিশন ও মিশন বাস্তবায়নে ঘাটতি থাকলেও বর্তমান প্রশাসকের নেতৃত্বে নতুন স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছে গোপালগঞ্জবাসী।
জেলা পরিষদের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিকউজ্জামান জানান, "পুরো জেলায় নাগরিক সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আমরা পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ করছি। পর্যায়ক্রমে সব নাগরিক সুবিধা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া হবে।" তিনি সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড সফল করতে সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা কামনা করেন।
এ.আই.এল/সকালবেলা
| আজকের তারিখঃ বঙ্গাব্দ