ভিডিও
স্টোরি
ফটো স্টোরি
শরীফুলের ঝড়ে চট্টগ্রামের জয়, নোয়াখালীর বিদায়
শরীফুল ইসলামের তোপের বোলিংয়ে নোয়াখালী এক্সপ্রেস ১২৬ রানে অলআউট হয়। কিন্তু সতীর্থদের সমর্থন সত্ত্বেও রান তাড়া করতে নেমে ব্যাটিংয়ে চট্টগ্রাম রয়্যালস কিছুটা দুশ্চিন্তায় পড়ে।
শেষ পর্যন্ত অধিনায়ক শেখ মেহেদী নেতৃত্ব দিয়ে চট্টগ্রামকে ৫ উইকেটের জয় এনে দেন। তার সঙ্গে আসিফ আলি যোগ্য সঙ্গ দেন; দুজনে ষষ্ঠ উইকেটে ৫৯ রানের জুটি গড়েন। মেহেদী ইহসানউল্লাহকে ছক্কা হাঁকিয়ে ম্যাচ শেষ করেন। ১৮ বল হাতে থাকলেও জয়ে ১ রানের আক্ষেপ থেকে যায়।
পাকিস্তানের ব্যাটার আসিফ আলি ৩৬ রান অপরাজিত থাকেন। তিনি ৪ চার ও ২ ছক্কা হাঁকান। এর আগে চট্টগ্রাম ১২৭ রান তাড়া করতে নেমে ২৯ রানে ৪ উইকেট হারায়। পরে আরও একটি উইকেট হারালেও মেহেদী-আসিফ জুটি দলকে জয় এনে দেয়। নোয়াখালীর হয়ে সর্বোচ্চ ২ উইকেট নেন ইহসানউল্লাহ। এই হারের কারণে টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে গেছে নোয়াখালী।
টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরু ভালো পেলেও একের পর এক উইকেট হারিয়ে নোয়াখালী ১২৬ রানে অলআউট হয়। শরীফুল ইসলাম ৫ উইকেট নেন এবং বাঁহাতি পেসার হিসেবে প্রথমবার ৯ রানে এই কীর্তি অর্জন করেন। আগের রেকর্ড ছিল ২০২৪ সালে ১২ রানে ৫ উইকেট নেওয়া আবু হায়দার রনির। টুর্নামেন্টের রেকর্ড এখনো পাকিস্তানি পেসার মোহাম্মদ সামির নামে রয়েছে, যিনি ৬ রানে ৫ উইকেট নিয়েছিলেন।
এ জয়ের ফলে চট্টগ্রাম রয়্যালস ১২ পয়েন্ট নিয়ে রাজশাহী ওয়ারিয়র্সকে পেছনে রেখে নেট রানরেটে শীর্ষে আছে।
| আজকের তারিখঃ বঙ্গাব্দ