ভিডিও
স্টোরি
ফটো স্টোরি
গণঅভ্যুত্থানের প্রায় দুই বছর পর ঐতিহাসিক এক নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশের ক্ষমতায় এসেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বিএনপিকে ভূমিধস বিজয়ের পথে নেতৃত্ব দিয়ে তিনি দেশে রাজনৈতিক পুনর্গঠন ও আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে কূটনৈতিক ভারসাম্য রক্ষার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দিল্লিতে আশ্রয় নেওয়ার পর তাঁর অনুপস্থিতিতে মৃত্যুদণ্ডের রায় হলেও ভারত তাঁকে প্রত্যর্পণে অস্বীকৃতি জানিয়েছে, যা প্রতিবেশী দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে নতুন এক টানাপোড়েন সৃষ্টি করেছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই রায় ছিল হাসিনার দমন-পীড়নমূলক সরকার এবং তাঁর প্রতি নয়াদিল্লির দীর্ঘমেয়াদি সমর্থনের বিরুদ্ধে জনগণের একটি স্পষ্ট প্রত্যাখ্যান।
তারেক রহমানের সামনে এখন ভারত ও পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক ব্যবস্থাপনার এক বিশাল চ্যালেঞ্জ। তাঁর আলোচিত বক্তব্য ‘নট দিল্লি, নট পিণ্ডি—বাংলাদেশ সবার আগে’র মধ্য দিয়ে তিনি সার্বভৌমত্বকে অগ্রাধিকার দেওয়ার বার্তা দিয়েছেন।
ইতোমধ্যে অন্তর্বর্তী সরকারের আমল থেকেই পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে, যার ফলে সরাসরি ফ্লাইট চালুসহ বাণিজ্য ও দ্বিপাক্ষিক যোগাযোগ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে দীর্ঘদিনের ভারতীয় প্রভাবে জনমনে যে ভারতবিরোধী মনোভাব তৈরি হয়েছে, তা সামলে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা রক্ষা করা নতুন সরকারের জন্য একটি কঠিন পরীক্ষা হবে।
দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনীতিতে এই পরিবর্তনকে এক নতুন সূচনা হিসেবে দেখছেন পর্যবেক্ষকরা। বাংলাদেশ এখন আর কোনো একক শক্তির ‘পিছনের উঠান’ নয়, বরং ভারত ও পাকিস্তানের পাশাপাশি চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গেও একটি ভারসাম্যপূর্ণ ও সক্রিয় সম্পর্ক গড়ে তোলার পথে এগোচ্ছে।
তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ এখন নিজস্ব স্বার্থের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নিতে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজের কণ্ঠস্বরকে আরও দৃঢ় করতে সচেষ্ট হবে।
| আজকের তারিখঃ বঙ্গাব্দ