বাংলাদেশ-জাপান কর্মসংস্থান চুক্তি স্বাক্ষর, কর্মী নিয়োগ এপ্রিলে

প্রকাশ: সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৩২ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশ-জাপান কর্মসংস্থান চুক্তি স্বাক্ষর, কর্মী নিয়োগ এপ্রিলে

স্টাফ রিপোর্টার: বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে কর্মসংস্থানসংক্রান্ত একটি নতুন দ্বিপক্ষীয় চুক্তি ‘ইএসডিপি-এমওসি’ (মেমোরেন্ডাম অব কো-অপারেশন অন এমপ্লয়মেন্ট স্কিলস ডেভেলপমেন্ট) চূড়ান্তভাবে স্বাক্ষরিত হয়েছে। ঐতিহাসিক এই সমঝোতার মাধ্যমে আগামী বছরের এপ্রিল মাস থেকে এ চুক্তির আওতায় বাংলাদেশ থেকে দক্ষ কর্মী নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু করবে জাপান।

প্রাথমিকভাবে পাঁচ বছর মেয়াদী এ চুক্তির শর্তানুযায়ী, মেয়াদ শেষ হওয়ার পর তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে আরও পাঁচ বছরের জন্য সম্প্রসারিত হবে; ফলে এটি কার্যকর থাকবে মোট ১০ বছর। 

সোমবার (১৯ অক্টোবর) প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত শনিবার বাংলাদেশের পক্ষে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং জাপানের পক্ষে দেশটির বিচার মন্ত্রণালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য, শ্রম ও কল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং ন্যাশনাল পুলিশ এজেন্সির প্রতিনিধিরা চুক্তিটিতে নিজ নিজ দেশের পক্ষে সই করেন।

মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, চুক্তিটি বর্তমান সরকারের বৈশ্বিক শ্রমবাজার জোরদারের ক্ষেত্রে একটি বড় অর্জন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আসন্ন জাপান সফরের সময় উভয় দেশের মধ্যে চুক্তির অনুলিপি আনুষ্ঠানিকভাবে আদান-প্রদান করা হবে। এর মাধ্যমে জাপানে বাংলাদেশী কর্মীদের উচ্চ বেতনে নিয়োগ ও আইনি সুরক্ষার এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হলো।

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী জানান, এই চুক্তির ফলে কর্মীরা জাপানের স্থানীয় শ্রমিকদের সমান আইনি সুবিধা ও সুযোগ-সুবিধা পাবেন। সেই সঙ্গে কর্মক্ষেত্রে নারী-পুরুষের সমঅধিকার সুনিশ্চিত করা হয়েছে। বিশেষ করে নারী কর্মীদের সুরক্ষায় বলা হয়েছে, গর্ভাবস্থা বা সন্তান জন্মদানের কারণে কোনোভাবেই চাকরিচ্যুত বা বৈষম্যমূলক আচরণের শিকার করা যাবে না এবং দেশে ফেরত পাঠানোর বাধ্যবাধকতাও থাকবে না।

এআইএল/সকালবেলা